কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু। শনিবার বাবুঘাটে গঙ্গায় তলিয়ে যান ডাক্তারি পড়ুয়া সোহম বসাক। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে খবর, বছর চব্বিশের সোহম বসাক আরজিকর আন্দোলনেও অংশ নিয়েছিলেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ডা. অর্নব তালুকদার জানিয়েছেন, মেডিক্যাল কলেজের মেইন বয়েজ হোস্টেলে থাকত সোহম বসাক। তাঁর বাড়ি হুগলির কোন্নগরে। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর তিনটে নাগাদ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের পড়ুয়া সোহম বসাক তাঁর সহপাঠী অরিত্রকে নিয়ে স্নান করতে গিয়েছিলেন বাবুঘাটে। কীভাবে সে তলিয়ে গেল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাবুঘাটে গিয়েছিলেন সোহম ও তাঁর বন্ধ অরিত্র। গঙ্গায় নামতেই ঘনিয়ে আসে বিপদ। জলের তোড়ে অনেক দূর এগিয়ে যায় সোহম। তলিয়ে যেতে দেখে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন বন্ধু অরিত্র। কিন্তু কোনওভাবেই জল থেকে তাঁকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সেই মুহুর্তেই কোনওরকমে উঠে বাবুঘাটের পাশেই সুতানুটি আউট পোস্টে এসে কর্তব্যরত পুলিশকে খবর দেন সোহমের বন্ধু। ওসি কন্ট্রোলকে জানানো হয় এবং কিছুক্ষণ পর ডিএমজি কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। সে সময় আধো অন্ধকার থাকায় দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়। প্রায় দু’ঘন্টার চেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে সোহমকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ইতিমধ্যেই মৃতের বাবা,মা হাসপাতালে পৌঁছে ছেলের মৃতদেহ শনাক্ত করেছেন। কীভাবে মৃত্যু, তার কারন জানতে ময়নাতদন্তের প্রস্ততি চলছে। যদিও পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জলডুবে শ্বাসরোধ হয়েই মৃত্যু হয়েছে সোহমের। ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যুতে কোন্নগরের বাড়িতে শোকের ছায়া।