• সবুজের চাদরে প্রাণ ফিরছে কয়লা খনির, উদ্যোগ আদানি–র
    এই সময় | ০৭ জুন ২০২৬
  • রায়পুর: কয়লা খনির রুক্ষ পাথুরে জমি এ বারে ঢেকে যাবে সবুজের চাদরে! জঙ্গল কেটে বাণিজ্যিক নির্মাণ, খনন বা বন ও বন্যপ্রাণের হত্যা বা পাচার নিয়ে এত বিতর্কের মাঝেই ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ করে ছত্তিসগড়ের একটি কয়লা খনিকে সবুজের ল্যান্ডস্কেপ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে শিল্পপতি গৌতম আদানির সংস্থা। ছত্তিসগড়ের সুরগুজা জেলার পারসা ইস্ট অ্যান্ড কান্টা বাসান (পিইকেবি) খনির ৫৬০ হেক্টর বিস্তীর্ণ জমিতে ইতিমধ্যেই ১৬ লাখেরও বেশি গাছ ও চারাগাছ লাগিয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইজ় ‍লিমিটেড।

    রাজস্থান রাজ্য বিদ্যুৎ উৎপাদ‍ন নিগম লিমিটেড (আরভিইউএনএল)–এর ডেভেলপার ও অপারেটর হিসেবে আদানির কোম্পানি ছত্তিসগড়ের এই কয়লাখনি ব্যবহার করে। একটি খনি থেকে খনিজ উত্তোলনের পরেও কী ভাবে সেই ভূমিতে সবুজায়ন করা যায়, সেই বার্তাই দিতে এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে কোম্পানির তরফে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ওই জমিটিকে ফের পু‍নরুজ্জীবিত করতে এবং আশেপাশের এলাকায় জীববৈচিত্র্যকে উন্নত করতেই এক দশকের মধ্যে ৪০ লাখ গাছের আচ্ছাদনে এই জমিকে ঢেকে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তাঁদের। খনির জমিতে লাগানো হচ্ছে শাল, মহুয়া, তেতুঁল, অমলতাসের মতো বহু দেশীয় প্রজাতির গাছ। খননের জন্য কাটা পড়া এক একটি গাছের জন্য ৪০টি করে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। কোম্পানির রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই সকল গাছের বেঁচে থাকার হার প্রায় ৮৮ শতাংশ।

    কয়লা মন্ত্রকের তরফে শেয়ার করা এক্স পোস্টে এই উদ্যোগের প্রশংসা করে লেখা হয়, ‘কয়লা উত্তোলন শেষ হয়ে যাওয়া মানেই একটি খনির যাত্রা শেষ নয়, বরং সেখান থেকেই যে একটি বিস্তীর্ণ জমির পরিবেশগত পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে— িপইকেবি মাইন তারই একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।’ তা ছাড়া, ওই এলাকায় ৫ লাখ চারা গাছের একটি নার্সারিও প্রতিষ্ঠা করেছে আদানি গ্রুপ।

  • Link to this news (এই সময়)