• অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনকারী মেয়ের টাকা ঢুকল বাবার অ্যাকাউন্টে
    বর্তমান | ০৭ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নদীয়ার ভীমপুর থানার চাঁদপুরের বছর চুয়াত্তরের বাসিন্দা সঞ্জিত বিশ্বাস। তাঁর মেয়ে শেফালি বিশ্বাস এতদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়ে এসেছেন। কিন্তু, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণের পর সেই টাকা ঢুকেছে তাঁর বাবা সঞ্জিত বিশ্বাসের অ্যাকাউন্টে। এতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলাজুড়ে। কারণ, নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ ‘লক্ষ্মী’র হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। 

    ভীমপুরের এই ঘটনায় দেখা যায়, সঞ্জিতবাবুর আধার নম্বরের সঙ্গে তাঁর মেয়ে শেফালি বিশ্বাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা রয়েছে। সে জন্যই এই বিপত্তি।‌ নদীয়ার কৃষ্ণনগর-১ বিডিও রঞ্জন সর্দার বলেন, সঞ্জিতবাবুর মেয়ে শেফালি বিশ্বাস লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন। সেই সময় এনএফটি মোডে টাকা দেওয়া হত। তখন সঞ্জিতবাবু আধার কার্ডের সঙ্গে শেফালিদেবীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা ছিল। পরবর্তী সময়ে যখন ডিবিটি মোড হয় এবং অন্নপূর্ণা যোজনার সঙ্গে ওনার নাম যুক্ত হয়, তখন আধার কার্ড লিংক থাকার ফলে টাকাটা তাঁর বাবার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। ওই টাকা উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বার্ধক্য ভাতার টাকা তুলতে স্থানীয় গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে যান সঞ্জিতবাবু। তাঁর অ্যাকাউন্টে আগে থেকেই ৭৯৯ টাকা জমা ছিল। দু’মাসের বার্ধক্য ভাতা বাবদ আরও দুই হাজার টাকা যোগ হলে মোট ২৭৯৯ টাকা থাকার কথা। কিন্তু, ব্যালান্স পরীক্ষা করে তিনি দেখেন, অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৫৭৯৯ টাকা। অতিরিক্ত তিন হাজার টাকা কোথা থেকে এল তার উৎস জানতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই টাকা  অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হয়েছে।  বিষয়টি জানাজানি হতেই বিডিও অফিসের প্রতিনিধিরা সঞ্জিতবাবুর বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেন। পরে তিনি প্রশাসনের কাছে আবেদন জানান, যাতে ভবিষ্যতে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে না পাঠিয়ে তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।
  • Link to this news (বর্তমান)