কাশীধামের আদলে সাজবে তারকেশ্বর মন্দির, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে আসতে পারেন মোদি
প্রতিদিন | ০৭ জুন ২০২৬
এবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের মতো সেজে উঠতে চলেছে হুগলির শৈবতীর্থ তারকেশ্বরও। কেন্দ্র-রাজ্য সম্মিলিত উদ্যোগেই সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হবে তারকেশ্বরকে। ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তারকেশ্বরে আসার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মনে করা হচ্ছে, সেদিনই মন্দির ও সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে পারে। ইঙ্গিত মিলেছে তারকেশ্বর মন্দিরের মোহন্ত মহারাজের কথাতেও।
প্রসঙ্গত, ধনেখালিতে বিধানসভা ভোটের প্রচারে এসে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, বেনারসের কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে তারকেশ্বরকে সাজানো হবে। দিন কয়েক আগে তারকেশ্বরে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তারকেশ্বর মন্দির চত্বরকে নবরূপে সাজানো হবে। এনিয়ে মন্দিরের মোহন্ত মহারাজ বলেন, “মন্দিরের উন্নয়নে সরকার যা করবে, আমরা তাতে সহযোগিতা করব।” মন্দিরের পুরোহিত মণ্ডলীর এক কর্তা প্রদ্যুৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তারকেশ্বরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অগণিত ভক্ত আসেন। শ্রাবণী ও চৈত্র মেলায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। কাশী বিশ্বনাথের মতো তারকেশ্বরকে সাজাতে পারলে সবারই উপকার হবে। কয়েক দিন বাদেই প্রধানমন্ত্রী আসছেন। আশা করছি, উনি বড় কিছু ঘোষণা করবেন।”
মন্দিরের আর এক পুরোহিত বলরাম চক্রবর্তী বলেন, “তারকেশ্বরের আকর্ষণ আরও বাড়বে। তার জন্য হয়তো অনেক কিছুই পরিবর্তন করতে হতে পারে। আমরাও চাই, তারকেশ্বরকে সুন্দর করে গড়ে তোলা হোক।” স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কথায়, সরকারের কাছে আবেদন, গোটা দেশের মধ্যে অন্যতম সেরা তীর্থক্ষেত্র হিসাবে গড়ে তোলা হোক। কাশী বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরকে যেভাবে সাজানো হয়েছে, সেরকমটা হওয়া দরকার। দর্শনার্থীদের যেমন সুবিধে হবে, তেমনই এলাকার আর্থিক মানোন্নয়ন ঘটবে। ভক্তরা যে পথ দিয়ে তারকেশ্বর মন্দিরে বাবার মাথায় জল ঢালতে যান, সেটি খুবই সংকীর্ণ। রাস্তার দু’পাশে প্রচুর দোকান থাকার কারণে যাতায়াতে অসুবিধে হয়। ঢোকা ও বেরোনোর সেই রাস্তাটিকে আরও সম্প্রসারিত করা হবে।