এই সময়, কৃষ্ণনগর: 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'–এর টাকা ঢুকছিল 'অলক্ষ্মী'র অ্যাকাউন্টে। মুর্শিদাবাদ ও পশ্চিম মেদিনীপুরের সেই ঘটনায় হইচই শুরু হয়েছিল রাজ্যে। এ বার 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র তিন হাজার টাকা ঢুকল নদিয়ার ভীমপুরের চাঁদপুর গ্রামের গ্রামীণ চিকিৎসক সঞ্জিৎ বিশ্বাসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।
শনিবার বিষয়টি জানতে পেরে অবাক সঞ্জিত ও তাঁর পড়শিরাও। তবে ষাটোর্ধ্ব সঞ্জিত কিন্তু সততার পরিচয় দিয়েছেন। নিজের প্রাপ্য নয় বলে ওই টাকা তিনি তোলেননি। বিষয়টি প্রশাসনকেও জানান। কিন্তু, কী ভাবে এমনটা ঘটল?
তদন্তে নেমেই কারণ খুঁজে পেয়েছেন কৃষ্ণনগর–১–এর বিডিও রঞ্জন সর্দার। তিনি জানান, সঞ্জিতের মেয়ে শেফালি বিশ্বাস এত দিন 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'–এর টাকা পাচ্ছিলেন। ওই প্রকল্পে অর্থ পেতে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক ছিল না। টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকত। নতুন প্রকল্পে আবেদনের নথিতে শেফালি তাঁর বাবার আধার কার্ডের নম্বরও দিয়েছিলেন। সেই আধার নম্বরের কারণে সঞ্জিতের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। বিডিও বলেন, 'ওই টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'