• তাঁকে সরিয়ে বহরমপুরে ভোট লড়বেন মমতা? ইউসূফ বললেন...
    আজকাল | ০৭ জুন ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের 'ফুটপ্রিন্ট' গত একমাসে যেভাবে কমছে, তাতে তোলপাড় রাজনীতি। অনেকেই বলছেন, রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকতে এখন মমতার নজর দিল্লি। তাই বিধানসভায় হেরে, লক্ষ্য সংসদ। আর নিজের সংসদের রাস্তা পরিষ্কার করতেই নাকি সরাতে চেয়েছিলেন অধীরকে হারিয়ে আসা বহরমপুরের সাংসদ ইউসূফ পাঠানকে। 

    সামাজিক মাধ্যম তোলপাড় হয় এক তথ্যে, সৌরভ গাঙ্গুলির মধ্যস্থতায় নাকি হয়েছে এই কথাবার্তা! যদিও সৌরভ গাঙ্গুলি বিবৃতি দিয়ে আগেই জানিয়েছেন, এই তথ্য ভুয়ো। এবার সামনে এসেছে খোদ ইউসূফের বার্তা। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে বহরমপুরের সাংসদ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁকে মমতা ব্যানার্জি কিংবা দলের কোনও নেতা সাংসদ পদ ছাড়ার জন্য কোনও চাপ দেননি। ভিডিওতে তিনি বলেন, 'গত কয়েকদিনে একটি খবর খুব ভাইরাল হয়েছে। বলা হচ্ছে, মমতা ব্যানার্জি ইউসূফ পাঠানকে বলেছেন, বহরমপুর লোকসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে, যাতে তিনি সেখান থেকে লড়তে পারেন। আমাকে মমতা ব্যানার্জি কখনওই এই ধরনের কথা বলেননি। না তিনি গত বৈঠকে একথা বলেন, না দলের কাউকে দিয়ে বলে পাঠান। এই তথ্য ভুল।' যারা এই তথ্য ছড়িয়েছে, তাদেরও একহাত নেন তিনি।

    এর আগে, এই ইস্যুতেই সৌরভ গাঙ্গুলির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়, 'অভিযোগ করা হয়েছে যে আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হয়ে ইউসূফ পাঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম এবং মমতা ব্যানার্জি ওই আসন থেকে উপনির্বাচন লড়বেন বলে, তাঁকে সুযোগ করে দিতে ইউসূফকে সরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিলাম। কিন্তু এই তথ্য সত্য নয়।' সৌরভের বার্তার পরেই সমানে এল ইউসূফের বার্তা। 

    যদিও রাজনীতিতে জোর জল্পনা, বিধানসভার পর এবার লোকসভাতেও মাথা চাড়া দিচ্ছে 'বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী'। সংখ্যাগরিষ্টতা জোট বাঁধছে 'দলনেতা অভিষেক'-এর বিপরীতে। ইন্ডিইয়া জোটের বৈঠকের আগেই, এই জল্পনা জোর হচ্ছে তৃণমূলের অন্দরেই।  লোকসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠরা আলাদা হয়ে গেলে, ইন্ডিয়া জোটে কতটা প্রাসঙ্গিকতা থাকবে মমতা ব্যানার্জির? প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও। 

     
  • Link to this news (আজকাল)