• পুলিশের নজর এড়াতে শাড়ির আড়ালে লুকিয়ে তৃণমূল কর্মী! শেষমেশ কী হল?
    প্রতিদিন | ০৭ জুন ২০২৬
  • ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে পুলিশ তাঁকে খুঁজছিল। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে অভিনব পন্থা নিয়েছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী। শাড়ির গাঁঠরির নিচে টানটান হয়ে শুয়েছিলেন। উপরেও চাপানো ছিল শাড়ির গাঁঠরি। পুলিশ সেখানে রীতিমতো খানাতল্লাশি করে। কী হল তারপর? ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার উদয়ানারায়ণপুরে। ওই তৃণমূল কর্মীর নাম ব্রহ্মানন্দ চক্রবর্তী।

    ঘটনাটি শনিবার সন্ধ্যার। হাওড়ার উদয়ানারায়ণপুরের তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে পরিচিত ব্রহ্মানন্দ চক্রবর্তী। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁর নাম জড়িয়েছিল। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, কোনওভাবেই ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িতদের ছাড়া যাবে না। সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ধরপাকড় শুর করেছে। ব্রহ্মানন্দ চক্রবর্তী নামে ওই তৃণমূল কর্মীকেও খুঁজছিল আমতা থানার পুলিশ। 

    পুলিশের চোখে ধুলো দিতে সরকারি বস্ত্র প্রতিষ্ঠান তন্তুজর কারখানায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী! গতকাল, শনিবার আমতা থানার পুলিশ সেখানে হানা দেয়। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়। এক জায়গায় শাড়ির অনেক গাঁঠরি সাজানো রয়েছে। সেগুলি দেখেই পুলিশের সন্দেহ হয়। এক একটি করে গাঁঠরি সরাতেই চমকে ওঠেন এক পুলিশকর্মী। দেখা যায়, ওইসব গাঁঠরির নিচে শাড়ির আড়ালে টানটান হয়ে শুয়ে লুকিয়েছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী। শাড়ির নিচ থেকে টেনে বার করা হয় তাঁকে। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার পেঁড়ো থানার পুলিশের কাছে তাঁকে হস্তান্তর করা হয়েছে। এভাবে শাড়ির নিচে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে লুকিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী! সেই কথা জানাজানি হতেই এলাকায় হাসির রোল, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)