স্কুলের ভিতর নাবালিকা ছাত্রীর সঙ্গে অসভ্যতা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে ওই স্কুলেরই ভাইস প্রিন্সিপালকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে স্কুলের ভিতরে একাধিকবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অন্ডালের উখড়া গ্রামের একটি বেসরকারি স্কুলে ঘটনাটি ঘটে। শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রবিবার তাঁকে পেশ করা হয় দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে। শ্লীলতাহানির ঘটনায় ওই স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
উখড়া গ্রামের ওই বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলটি কয়েকবছর আগে তৈরি হয়েছিল। এই স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। স্কুলের মধ্যেই আছে ছাত্রদের থাকার হোস্টেল। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্কুলে ক্লাস চলাকালীন অভিযুক্ত শিক্ষক ওই ছাত্রীকে অফিসের ভিতরে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করে। এর পাশাপাশি একাধিকবার ওই ছাত্রীর সঙ্গে অভিযুক্ত এই ধরনের খারাপ আচরণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ছাত্রীর পরিবারের লোকজন ঘটনার কথা জানতে পারেন। এরপরই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্ডাল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এরপর শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে কোচবিহারের দিনহাটা এলাকায় পাটক্ষেত থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে তার পরনে থাকা লেগিংসই গলায় জড়িয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় ওই নাবালিকার গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এবার অন্ডালে স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রকাশ্যে এল।