• ‘ঘনিষ্ঠ’ সম্পর্কের পরেও নৃশংস খুন! কৃষ্ণনগরে হস্টেলে খুদের হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ২ নবম শ্রেণির ছাত্রী
    প্রতিদিন | ০৭ জুন ২০২৬
  • বালতির জলে ডুবিয়ে শ্বাসরোধ! পরে হাতের শিরা কেটে খুন! কৃষ্ণনগরে আবাসিক স্কুলের হোস্টলে ছাত্রীকে খুনে গ্রেপ্তার স্কুলেরই নবম শ্রেণির দুই নাবালিকা ছাত্রী। তারা শিশুটির ঘনিষ্ঠ। থাকত একই সঙ্গে। একই বিছানায় ঘুমাত তারা। খুনের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে প্রাথমিক অনুমান,হস্টেল থেকে মুক্তি পাবে ভেবে, শিশুটিকে খুন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনও শত্রুতা বা দুই নাবালিকার কোনও মানসিক সমস্যা রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    দেহ উদ্ধারের পর তদন্তকারী দল গঠন করে পুলিশ। নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। কথা বলা হয় হোস্টেলের ছাত্রী, কর্মী ও শিক্ষিকাদের সঙ্গে। অন্যদের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ধৃত দুই নাবালিকাকেও। বয়ানে অসঙ্গতি মেলে। নিয়ম মেনে তাদের আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা।

    পুলিশি জেরার মুখে তারা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের। তারপরই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, “এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা আমাদের কাছে আসে। তদন্তের ভিত্তিতে দুই নাবালিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে।” খুনের মোটিভ কী? এই প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ সুপার বলেন, “দুই নাবালিকা হোস্টল থেকে বেরত চাইত। ভেবেছিল এই ঘটনা ঘটলে তারা ছাড়া পাবে।” রবিবার ধৃত দুই নাবালিকাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের আদালতে তোলা হয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, শনিবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে আবাসিক বিদ্যালয়ের হস্টেলের শৌচালয়ে সাত বছরের এক ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। সে কৃষ্ণনগরের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের আদি বাড়ি ভীমপুর থানা এলাকায়। তবে বর্তমানে কৃষ্ণনগরের সন্ধ্যা মাঠপাড়া এলাকায় ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন তাঁরা। মৃতার বাবা অনিমেষ কুমার সাহা জানিয়েছিলেন, গ্রীষ্মের ছুটি শেষে শুক্রবারই তিনি মেয়েকে হস্টেলে রেখে এসেছিলেন। তারপরই এই কাণ্ড। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)