• বোমা-বন্দুক পাচার রুখতে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ
    বর্তমান | ০৮ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা গ্রেপ্তার হতেই ভাঙড় জুড়ে শুরু হয়েছে নাকা তল্লাশি। পুলিশের ধারণা, এখনো অনেক জায়গায় মজুত করা রয়েছে বোমা, বন্দুক প্রভৃতি মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র। সেগুলি বাইরে পাচার যাতে না-হয়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ পুলিশের। একটি সূত্র বলছে, শওকত গ্রেপ্তার হলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক নেতা এখনো দিব্যি ঘুরছে। তাঁদের কাছে বোমা বন্দুক থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই রাতের অন্ধকারে সেগুলি যাতে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া না-হয়, তার জন্যই গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বহু জায়গা থেকেই বিপুল সংখ্যক বোমা, বন্দুক প্রভৃতি উদ্ধার হয়েছিল। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে একাধিকবার। দক্ষিণ বামুনিয়ায় সেরকমই একটি ঘটনায় এনআইএ তদন্তে নেমে ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেপ্তার করেছে। আইএসএফের দাবি, ভাঙড়ে এখনো অনেক তৃণমূল নেতার কাছেই বোমা বন্দুক মজুত রয়েছে। সেগুলি অবিলম্বে উদ্ধার করার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছে তারা। এরপরই শনিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে নাকা চেকিং। এদিকে, শওকত ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল নেতার নামে পড়ল পোস্টার। রবিবার সকালেই ভগবানপুর অঞ্চলের পাকাপোল বাজারে খয়রুল ইসলাম নামে ওই নেতার নামে একাধিক জায়গায় পোস্টার পড়ে।  তিনি আবার ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। পোস্টারে খয়রুলকে ‘মাটি মাফিয়া’, ‘তোলাবাজ’ বলে আক্রমণ করা হয়। এই নিয়ে ওই নেতা বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। আরাবুল ইসলাম চক্রান্ত করে এসব করাচ্ছে।  আমি মানহানির মামলা করব। পালটা আরাবুল বলেন, শওকতের নির্দেশে খায়রুল ব্যবসায়ীদের চমকাতেন। তাঁদের কাছে থেকে লক্ষ, লক্ষ টাকা ‘তোলা’ তুলেছেন। এলাকায় গুলি-বোমার রাজনীতি করেছেন তিনি। তাঁকেও গ্রেপ্তার করা উচিত।  নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)