এই সময়, কালনা: কলকাতা থেকে মাত্র ৯২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কালনা। এই শহরটি তার অসামান্য পোড়ামাটির মন্দির এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের জন্য ‘মন্দিরের শহর’ নামে খ্যাত। সে সব দেখতে দেশের নানা জায়গার পর্যটকদের পাশাপাশি কালনায় আনাগোনা রয়েছে বিদেশিদেরও। পর্যটকদের বড় অংশ আসেন ট্রেনপথে। নামতে হয় অম্বিকা কালনা স্টেশনে।
এই স্টেশনকে অমৃত ভারত প্রকল্পে নবরুপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। কিন্তু গত কয়েক বছরে চালু হয়েছে, এই স্টেশনে এমন বেশ কিছু এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপের ব্যবস্থা করেনি রেল। কিছু এক্সপ্রেসের স্টপ আবার তুলেও নেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে কালনার বাসিন্দাদের ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। বাসিন্দারা অম্বিকা কালনা স্টেশনে ওই সব ট্রেনের স্টপের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছিলেন কালনার নতুন বিজেপি বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদারের কাছে। শনিবার কলকাতায় লিখিত আকারে সেই দাবি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হাতে তুলে দিলেন বিধায়ক।
এলাকার বাসিন্দারা রবিবার জানান, আগে কোনও এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হলে অম্বিকা কালনায় দাঁড়াত। কিন্তু ইদানীং চালু হওয়া বেশ কিছু এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপ দেওয়া হচ্ছিল না এখানে। এমনকী বন্দে ভারতের স্টপ নবদ্বীপে দেওয়া হলেও কালনায় দেওয়া হয়নি। আগের বিধায়ককে এ নিয়ে কোনও উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। বর্তমান বিজেপি বিধায়ক বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন।
জানা গিয়েছে, বিধায়ক রেলমন্ত্রীর কাছে কালনায় পাহাড়িয়া এক্সপ্রেস, হাওড়া–বালুরঘাট এক্সপ্রেস ও গরিব রথ এক্সপ্রেসের স্টপ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। এ ছাড়া সকালে শিয়ালদহ যাওয়ার ও সন্ধ্যায় শিয়ালদহ থেকে ফেরার জন্য লোকাল ট্রেনের ব্যবস্থা করার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি। কালনার জিউধরা রেলগেট এলাকায় আন্ডারপাস ও ইন্দিরাবাজার রেলগেট এলাকায় একটি ওভারব্রিজ তৈরির অনুরোধও করেছেন তিনি। বিধায়ক এ দিন বলেন, ‘রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দাবিগুলি লিখিত আকারে জমা দিয়েছি। আগামী দিনে তা পূরণ হবে বলে আশ্বাস মিলেছে।’