এই সময়: রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনায় শনিবার পর্যন্ত ৫০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢুকেছে বলে রবিবার জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সিএএ (সিটিজ়েনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট)–তে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের একাংশ ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের অন্তর্গত করা হয়েছে, বাকিরা সার্টিফিকেট পাওয়ার পরে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে নিউ টাউনে বিজেপির দলীয় কর্মসূচিতে এ দিন শুভেন্দু জানিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘গতকাল (শনিবার) পর্যন্ত ৫০ লক্ষ মা–বোন–দিদিকে তিন হাজার টাকা ট্রান্সফার করে দিয়েছি। প্রথম দিনে ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জনকে দিয়েছি। সব থেকে বড় অ্যাচিভমেন্ট। ফর্ম নিয়ে প্রথম দু–তিন দিন সমালোচনা হয়েছিল। পরে সবাই বুঝে গিয়েছেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকা জলে ফেলা যায় না।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই শুভেন্দু অভিযোগ করে এসেছেন যে এই প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। শুভেন্দু রবিবার বলেন, ‘শুনলে অবাক হয়ে যাবেন তিন লক্ষ পুরুষ পাওয়া গিয়েছে যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন। জঙ্গিপুর (মুর্শিদাবাদ) ব্লকে এমন ৪৫০০ পরুষকে পাওয়া গিয়েছে। কৃষ্ণনগর (নদিয়া)–২ ব্লকে একটি অঞ্চলে ২৭৩ জনকে পাওয়া গিয়েছে। কী ভয়ঙ্কর দুর্নীতি!...এরা (তৃণমূল) পুরুষদের বিধবা ভাতা দিয়ে গিয়েছে।’
তৃণমূল জমানায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ২ কোটি ২০ লক্ষ বেনিফিশিয়ারি ছিলেন। এর মধ্যে ২৭ লক্ষের নাম ভোটের লিস্টে ছিল না বলে শুভেন্দু জানিয়েছেন। বিজেপি সরকার ‘স্বচ্ছতা’র সঙ্গে সামাজিক প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত করতে ‘ডেটা ব্যাঙ্ক’ তৈরি করেছে বলে শুভেন্দু জানিয়েছেন।