• বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে পরিচিত যুবকদের দিয়ে বান্ধবীকে ধর্ষণের ছক তরুণীর! দুর্গাপুর কাণ্ডে হাড়হিম তথ্য  
    প্রতিদিন | ০৮ জুন ২০২৬
  • দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে হাড়হিম তথ্য। পরিচিত যুবকদের দিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করেই নাকি নির্যাতিতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছিল অভিযুক্ত তরুণী। বিশ্বাস করে চরম মাশুল দিতে হল নির্যাতিতাকে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ছাত্রীকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তোলা হয়েছে আদালতে।

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুদবুদের বাসিন্দা অভিযুক্ত তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় নির্যাতিতার। দু’জনের বাড়ির দূরত্বও ছিল মাত্র কয়েক কিলোমিটার। তবে বিশেষ ঘনিষ্ঠতা ছিল না। সম্প্রতি গড়ে ওঠে যোগাযোগ। অভিযোগ, সেই সূত্র ধরেই নাবালিকার জীবনে প্রবেশ করে অভিযুক্ত যুবকেরা। ওই তরুণীই আজহারউদ্দিন মল্লিক, সুবীর দাস ও রাজ মল্লিকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় নির্যাতিতার। বুদবুদ বাজারে আজারুদ্দিন মল্লিকের একটি সাইকেলের দোকান রয়েছে। বন্ধুত্বের মুখোশ পরে নাবালিকাকে টার্গেট করে তিন যুবক ও তাঁদের বান্ধবী। অ্যাকশনের জন্য বেছে নেওয়া হয় শনিবার। ওইদিন ঘুরতে যাওয়ার নাম করে ডাকা হয় নাবালিকাকে। তারপর চারচাকা গাড়িতে করে সিটি সেন্টারের কবিগুরু এলাকার হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

    অভিযোগ, গাড়ির ভেতরেই মদ্যপান করানো হয়েছিল নির্যাতিতাকে। তারপরই সিটি সেন্টারের কবিগুরু এলাকার বেসরকারি হোটেলে একটি রুম ভাড়া নেওয়া হয়। সেখানেই তিন যুবকের সাথে ওই নাবালিকাকে একটি রুমে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এখানে হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। সাধারণত ১৮ বছরের নিচে কোনও নাবালক বা নাবালিকাকে পরিবারের সদস্য ছাড়া একা হোটেলে থাকার অনুমতি দেওয়া যায় না। ফলে নাবালিকাকে কীভাবে রুমে ওই যুবকদের সঙ্গে গেল, সেটাও প্রশ্ন। আদৌ পরিচয়পত্র যাচাই করা হয়েছিল কি না? নাকি মোটা টাকার বিনিময়ে নিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশ্নের মুখে হোটেলের ম্যানেজারের ভূমিকা। যদিও হোটেলের ম্যানেজার রাজকুমার দে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। এখনও পলাতক এক অভিযুক্ত।

     
  • Link to this news (প্রতিদিন)