রবিবার রাতে যাদবপুরে দখল করে তৈরি দোকানগুলির উপর বুলডোজার চলতে পারে বলে খবর ছিল। সেই কারণে আগে থেকেই এই বুলডোজার অ্যাকশনের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বাম ও কংগ্রেস। তাঁদের দাবি ছিল, পুনর্বাসন না দিলে উচ্ছেদ করা যাবে না। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বচসা হয়। এরই মধ্যে এলাকা ঘিরে ফেলে রেলপুলিশ। বিশাল পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সমস্ত রাস্তা উঁচু ব্যারিকেড করে ঘিরে ফেলা হয়। পুলিশের তরফে এলাকা ফাঁকা করার আবেদনে শুরু হয় মাইকিং। তবে তাতেও লাভ হয়নি কিছু। উলটে আরও বাড়তে থাকে উত্তেজনা। এই পরিস্থিতিতে এলাকা ফাঁকা করতে শুরু হয় লাঠিচার্জ। পুলিশের লাঠিচার্জে জখম হন অন্তত ১৩ জন। কারও কারও মাথা ফেটে যায়। গ্রেপ্তার করা হয় এসএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য-সহ বেশ কয়েকজন। সৃজনকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এরপরই নামে বুলডোজার। ভেঙে ফেলা হয় একের পর এক অবৈধ দোকান ও নির্মাণ। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে এলাকা খালি হয়ে যায়। চোখের সামনে রুজিরুটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। চোখের জলে ভাসেন তাঁরা।
যাদবপুরে এই উচ্ছেদের ঘটনার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন দোকানদাররা। মামলাকারীদের পক্ষ থেকে আইনজীবী শামিম আহমেদ এনিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আগামীকাল এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।