দাপুটে তৃণমূল নেতা প্রবীর মজুমদারকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। এলাকায় তিনি ‘গুপী’ নামেই পরিচিত। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কী অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। এই নিয়ে মুখ খোলেনি পুলিশও।
প্রবীর হাবড়া ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ। নিজেকে অশোকনগরের প্রাক্তন বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামীর ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করতেন তিনি। তৃণমূল জমানায় প্রবীরের বিরুদ্ধে হুমকি, ভয় দেখানো, মারধর-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন তিনি।
বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন অশোকনগরে সভা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময়ে তাঁর সভাস্থল গঙ্গাজল দিয়ে ধোয়ার কর্মসূচি নিয়েছিলেন প্রবীর। সেই নিয়েও ব্যাপক শোরগোল হয়েছিল।
গত বছরের এপ্রিলে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল অশোকনগর। তখন প্রবীর নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার বিনিময়ে গোটা বিষয়টা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তাই নয়, তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল প্রবীরের বিরুদ্ধে। তিনি অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছিলেন, ‘আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।’
প্রবীরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও কী কারণে তাঁকে এ দিন গ্রেপ্তার করা হলো তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানায়নি অশোকনগর থানার পুলিশ। প্রবীরের গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি তৃণমূল নেতৃত্বও।