'তিনি তখনও রাজনীতিবিদ ছিলেন না, এখনও নন': এবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে কটাক্ষ কাকলির
News18 বাংলা | ০৯ জুন ২০২৬
নয়াদিল্লি: বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছেন, তিনি-সহ প্রায় ২০ জন সাংসদ ন্যাশনাল ডে মোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)-র সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। এই দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র ওই সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তাঁদের ‘লোভী ও স্বার্থপর বিশ্বাসঘাতক’ বলেন। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) অভ্যন্তরীণ ফাটল যখন গভীর হচ্ছে, যখন বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দলের সেই প্রাক্তন সহকর্মীকে কটাক্ষ করে তাঁর রাজনৈতিক যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
সিএনএন-নিউজ১৮-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাকলি জানান, যেসব নেতা এখন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের পক্ষ নিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রা শুরুর সময়ে ছিলেনই না। তিনি বলেন, “১৯৭৬ সালে মমতা যখন রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেছিলেন, তখন এদের কেউই ছিলেন না। আমার মনে হয় যে মহিলা বিদেশ থেকে টুইট করছেন তিনি তখন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, এবং এখনও নন।”
সোমবার কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, প্রায় ২০ জন তৃণমূল সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি জমা দিয়েছেন। সেই চিঠিতে তাঁরা আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চেয়ে এনডিএ-র সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর ইঙ্গিত, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরই এই ভাঙনের সূত্রপাত। এর পরেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মহুয়া মৈত্র বলেন, ”২০২৪ সালে এই সাংসদরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে জয়ী হয়েছিলেন। মানুষের রায় এনডিএ-র পক্ষে ছিল না। হলুদ প্যান্ট পরা সব লোভী ও স্বার্থপর বিশ্বাসঘাতকেরা এখন বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। আগে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিন, তারপর বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়ুন। দেখা যাক, কত বড় বীর আপনারা।”