• নতুন তৃণমূলে যাচ্ছি না, সারা জীবন দিদির পাশে থাকব: দেব
    এই সময় | ০৯ জুন ২০২৬
  • সোমবার বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক করেছিলেন লোকসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদের। সেই বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। সূত্রের খবর, ঘটনাচক্রে, তার পরেই বিদ্রোহীরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। তৃণমূলের একটি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে তৃণমূলের যে সাংসদেরা বৈঠক করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেবও। শুধু তা-ই নয়, পরে সন্ধ্যায় তৃণমূলের সাংসদ শতাব্দী রায়ের দিল্লির বাসভবনে শুভেন্দুর উপস্থিতিতে বিদ্রোহীদের যে বৈঠক হয়েছে, সেখানেও দেব ছিলেন। শুধু ছিলেনই না, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু নাকি তাঁর গালও টিপে দিয়েছেন! যদিও দেব বা শুভেন্দু কারও তরফেই এই দাবির আনুষ্ঠানিক সমর্থন মেলেনি। তার পরেই মঙ্গলবার শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের যোগ দেওয়ার বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। শুধু দেবই নন, তৃণমূলের আর এক বিদ্রোহী, মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়াও ছিলেন বৈঠকে।

    কিন্তু সেই বৈঠকের পরে বাইরে বেরিয়ে এসে দেব স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তিনি ‘নতুন তৃণমূলের’ সঙ্গে নেই। কিন্তু নতুন তৃণমূল বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন দেব, তা তিনি স্পষ্ট করেনি। তবে মনে করা হচ্ছে, লোকসভায় তৃণমূল ভেঙে যে সাংসদেরা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরত্ব তৈরি করে মোদী সরকারকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দেব ‘নতুন তৃণমূল’ বলতে সেই গোষ্ঠীর কথাই বলতে চেয়েছেন। পরে দেব নিজেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ভালোবাসা সারা জীবন থাকবে। যত দিন বেঁচে থাকব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছি। তৃণমূলের সাংসদ হয়ে এসেছি। আমারও দায়িত্ব মানুষের স্বপ্নপূরণ করা। তবে নতুন তৃণমূলে যাচ্ছি না।’

  • Link to this news (এই সময়)