এদিন বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে কেশপুরের বিধায়ক বলেন, 'আমরা এলাকার উন্নয়নের জন্য এই বৈঠকে এসেছি। এখনও পর্যন্ত যে সমস্ত উন্নয়ন বাকি রয়েছে সেগুলো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা আলোচনা করব।'
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিজেপি নেতা ভুপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে হাজির হন তৃণমূলের একাধিক সাংসদ। হাজির হয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া সুখেন্দু শেখর রায়।
সূত্রের খবর, কিছুক্ষণ আগেই জানা যায়, ভুপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে উপস্থিত হয়েছেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। এই তথ্য সামনে আসার পরেই জল্পনা বাড়া কয়েকগুণ। তাহলে কি আজই অপারেশন লোটাস।
ইস্তফা পত্রে সুখেন্দুশেখর লিখছেন-'সাম্প্রতিক অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচকমন্ডলী ১৫ বছর শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত তৃণমূল কংগ্রেস দলের বেলাগাম দুর্নীতি, চরম নারী নির্যাতন ও শিক্ষা, স্বাস্হ্য, শিল্প, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলাসহ সব ক্ষেত্রে শোচনীয় অপদার্থতাজনিত চরম নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সার্বিক অনাস্থা জ্ঞাপন করে ভারতীয় জনতা দলকে বাংলার ইতিহাসে প্রথম বার বিপুল সংখ্যক আসনে জয়ী করেছেন। ইতিমধ্যে নবনির্বাচিত জনগণের সরকার তাদের দলের ঘোষিত নির্বাচনী সঙ্কল্প অনুসারে বাংলার সার্বিক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের স্বার্থে একাধিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। আমি জনসাধারণের এই ঐতিহাসিক রায় নতমস্তকে গ্রহণ করে তৃণমূল কংগ্রেস দলের প্রাথমিক সদস্যপদ এবং রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করলাম।'
অর্থাৎ, এবার রাজ্যসভায়, ১৩ থেকে কমে, তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা হল ১২। জল্পনা, রাজ্যসভার পর, তৃণমূলের লোকসভার সাংসদদের মধ্যেও। জল্পনা কোয়েল মল্লিক ইস্তিফা দিতে পারেন, তা নিয়েও।
সোমে সাংসদদের নিয়ে জল্পনার মাঝেই, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, তিনি প্রস্তাব পেয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার। যদিও তিনি তৃণমূলে থাকবেন বলেই জানিয়েছেন।