জুন মালিয়া। তৃণমূল সাংসদ। সোমবার, দিল্লিতে বিদ্রোহী শিবিরে, হাজির ছিলেন। মঙ্গলে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রি শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকেও। জুন মালিয়া বরাবর জানিয়েছেন, তিনি কাজ করতে চান মানুষের জন্য। তিনি সম্মান করেন মমতা ব্যানার্জিকে। তাহলে মমতা-বিরোধী শিবিরে কেন? বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে নাম লেখানোর আগে জানিয়েছিলেন 'দিদি'কে?
আজকাল ডট ইন-কে মেদিনীপুরের সাংসদ জানান, তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, মমতা ব্যানার্জিকে একটি মেসেজ করেছিলেন। কী লিখেছিলেন সেখানে? সমগ্র বার্তা প্রকাশ্যে না আনলেও, জুন জানান, তিনি তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে মেসেজের একেবারে শেষে লিখেছেন, 'আমাকে প্লিজ ভুল বুঝো না। প্রণাম নিও। আমার কাছে কোনও উপায় নেই, আমাকে আমার সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।' তারপরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, জানিয়েছেন তেমনটাই। একইসঙ্গে তাঁর সাফ বক্তব্য, তাঁর তৃণমূলের থেকে কিছু নেওয়ার নেই, নেই বিজেপির থেকেও। একমাত্র লক্ষ্য, তাঁর সংসদীয় এলাকার মানুষের জন্য কাজ করা।
এর আগে, আজকাল ডট ইন-কে জুন জানিয়েছিলেন, 'আমার শুধু এইটুকুই বক্তব্য, বাংলায় যে নতুন সরকার তৈরি হয়েছে, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুবাবুকে আমার শুভেচ্ছা। খুব ভাল মতোই তিনি এগোচ্ছেন। আমরা দেখলাম যে বিরোধী বিধায়কদের নিয়ে উনি প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন। একজন সাংসদ হিসেবে আমি এই পদক্ষেপে খুশি।' জুনের সংযোজন, 'আমি মানুষের কাজ করতে চেয়েছি। আগামী দিনেও যাতে আমি সুস্থভাবে কাজ করতে পারি, সেটাই আমার আশা। মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছে। সুতরাং আমি তো এখন রিজাইন দিয়ে চলে যেতে পারি না কোথাও। যদি আমার ইচ্ছেও করে রিজাইন দিতে আমি পারব না। কারণ মানুষ আমাকে নির্বাচিত করে এনেছে।' আজ নিজেও মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির ছিলেন তিনি।
তবে জুনের স্পষ্ট বক্তব্য, তিনি মমতা ব্যানার্জির কথা শুনেই তৃণমূলে এসেছন। তিনি তাঁকে কখনওই অপমান করতে পারবেন না। না প্রকাশ্যে, না ব্যক্তিগত স্তরে।