আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রায় ৪৫ মিনিটের অপেক্ষা, তারপরেই মমতা ব্যানার্জির বাড়ি লাগোয়া তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ঢোকে সিআইডি টিম। প্রায় দু'ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তল্লাশি চলে। তল্লাশি শেষে ৬টা ১৫নাগাদ, ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি থেকে বেরিয়ে আসেন সিআইডি আধিকারিকেরা।
তদন্তকারী আধিকারিকেরা যখন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের ভিতর তল্লাশি চালাচ্ছিল, তখন সেখানে উপস্থিত হন কুণাল ঘোষ, কল্যাণ ব্যানার্জিও। এদিন কল্যাণ ব্যানার্জি বলেন, 'গতকাল ১৯-২০ জন এমপি, জানেন অন্য ব্লক তৈরি করেছেন। তাঁরা নরেন্দ্র মোদিকে সমর্থন করেছেন। নরেন্দ্র মোদি তাঁদের নেতা হয়ে গিয়েছেন, তাই আজ শুভেন্দু অধিকারী সিআইডি পাঠিয়ে দিয়েছেন। মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে। সবাই জানে মমতা ব্যানার্জি দিল্লিতে। মমতা ব্যানার্জির ইমেজ নষ্ট করার জন্য কাজ করেছে। বাংলার মানুষ এর বিচার করবে।'
যদিও ওই দলীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়ে কী মিলেছে, সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি সিআইডি আধিকারিকেরা। সিআইডি বেরিয়ে যাওয়ার পর, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, 'আজ সিআইডির একটি টিম, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির বাড়ির ঠিকানায় এসেছিলেন। তাঁরা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির সঙ্গে কোনও একটি তদন্তের স্বার্থে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমরা সবাই জানি, মমতা ব্যানার্জি এবং অভিষেক ব্যানার্জি ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক এবং আনুষঙ্গিক কিছু বৈঠকের জন্য দিল্লিতে।' তাঁর সংযোজন, 'মমতা ব্যান্ররজির যে কর্মসূচি সারা পৃথিবী জানে, সেখানে মমতা ব্যানার্জি-অভিষেকের অনুপস্থিতিতে সিআইডি কেন আজ এলেন? এটাই বিস্ময়ের।' কুণাল বলেন, 'তিনি দু'দিনের জন্য নেই। সারা পৃথিবী জানে, তিনি কেন নেই, কোথায় আছেন। সেটা জানার পরেও, তাঁর অনুপস্থিতিতে, তাঁর বাড়িতে তল্লাশির নামে পুলিশ ঢোকানো হল, এটা বাংলার রাজনীতিতে কুৎসিত নিদর্শন হয়ে রইল। এটা যে কতবড় প্রহসন, প্রতিহিংসা ছিল, তার প্রমাণ হচ্ছে-সিজারলিস্ট শূন্য।'