বিমানবন্দরে 'জয় শ্রীরাম' শুনে রেগে লাল কল্যাণ, তেড়েও গেলেন
আজ তক | ১০ জুন ২০২৬
তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল করার মামলার জল গড়িয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবন লাগোয়া মূল কার্যালয়ে। মঙ্গলবার সেখানে আচমকাই তল্লাশি অভিযানে নামেন সিআইডি (CID) আধিকারিকরা। সিআইডি আসার খবর পেয়েই দিল্লি থেকে ফিরেই সেখানে হাজির হন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নাম জড়িয়ে তদন্তকারীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের ওপরেও মারাত্মকভাবে মেজাজ হারান তিনি। এদিন বিমানবন্দরেও মেজাজ হারাতে দেখা যায় কল্যাণকে।
আজ, মঙ্গলবার দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন কল্যাণ বন্দ্যোাধ্যায়। দুপুরে বিমানবন্দরে নেমে যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তৃণমূল সাংসদ, তখন পাশ থেকে 'চোর চোর', 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিতে থাকেন একদল সাধারণ মানুষ। এরপর আর মেজাজ ধরে রাখতে পারেননি শ্রীরামপুরের সাংসদ। যাঁরা স্লোগান দিচ্ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিক্ষোভকারীদের দিকে রীতিমতো তেড়ে যেতে দেখা যায় তাঁকে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সমীকরণ বদলের মধ্যে দলবদলু ও বিক্ষুব্ধ নেতাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতেও দেখা যায় তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যাঁরা গোপনে বা প্রকাশ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের দরবারে যাওয়া-আসা করছেন, তাঁদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, এর আগেও জনরোষের মুখে পড়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোাধ্যায়। তার দিকে উড়ে আসে ইট, শুনতে হয় ‘চোর-চোর’ স্লোগানও। হুগলির চণ্ডীতলায় এই ঘটনা ঘটে। চণ্ডীতলা থানায় ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের। তার আগেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় থানার সামনে। অশান্তি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে মারধর করা হয়। রাস্তায় শুয়েও পড়েন তিনি। পুলিশ জানায়, অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।