'সার্চে বিজেপির লোককে এনেছেন তদন্তকারীরা, মমতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ',CID তল্লাশি নিয়ে দাবি কল্যাণের
আজ তক | ১০ জুন ২০২৬
কালীঘাটে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তৃণমূলের কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করে CID। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন দিল্লিতে। এই সময়েই বিধানসভায় সই-জাল কাণ্ডের তদন্তে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে কার্যালয়ে আসে CID। বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে চিঠিতে এই অফিসের ঠিকানাই দেওয়া ছিল। শুরুতে বাধা পাওয়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে CID। তদন্তকারী সংস্থার এই কাজের নিন্দা করেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি এও দাবি করেন, CID-র সঙ্গে দু'জন বিজেপির লোক সাক্ষী হিসেবে ঢোকেন।
CID-র ভূমিকায় কটাক্ষ করে কল্যাণের দাবি, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস সার্চ করতে এসেছিলেন ওনারা। মমতাদি দিল্লিতে জেনেই বাড়িতে আসে। তাদের সঙ্গে ২ জন সিভিক লোক এসেছেন। এরা বিজেপির লোক। সাক্ষী হিসেবে নিয়ে এসেছে। তারা স্থানীয় নয়।"
শুভেন্দু অধিকারী প্রতিহিংসার রাজনীতি করছেন বলে দাবি করেন। বলেন, "ওরা নরেন্দ্র মোদীকে সাপোর্ট করছে। মমতার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এই কাজ করেছে। দিনের পর দিন শুভেন্দু হিংসাত্মক হয়ে উঠছে। প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছেন। যেভাবে মমতাকে অপদস্থ করা হচ্ছে ভারতে কোথাও হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে কোথাও নেই। না তাঁর নামে এফআইআর হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর জন্য কয়েক হাজার মানুষ গ্রেফতার হয়েছে।"
একইসঙ্গে বিধায়কদের সই জালকাণ্ডে সিআইডি-র তৃতীয় তলবও এড়ালেন অভিষেক। মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ভবানীভবনে হাজিরার নির্দেশ ছিল। সময় শেষের আগেই দিল্লি থেকে সিআইডিকে চিঠি পাঠালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। কলকাতার বাইরে থাকায় হাজিরা দিতে পারবেন না বলে চিঠিতে জানান।