পাশে শ্রী রাম চন্দ্রের ধনুক হাতে বড় ‘কাটআউট’। আর তার পাশে বসে ল্যাপটপে একেবারে কর্পোরেট কায়দায় অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম পূরণ করে দিচ্ছেন আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের বিবেকানন্দ ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২/১৫২ নম্বর বুথে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মুন্না সিং। এলাকায় অবশ্য তাকে সকলে মুন্না ভাই বলেই চেনেন।
অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করে দিচ্ছেন তিনি। অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ভিড় থেকে গ্রামবাসীদের বাঁচাতে রামের ছবি নিয়ে এই পরিষেবা দিতে নেমেছেন মুন্না । পরিষেবা পেয়ে কার্যত ধন্য ধন্য করছেন এলাকার বাসিন্দারা। সাধারণ পরিষেবা হলেও ভাবনায় কিন্তু এই পরিষেবার পেছনে অনেক বড় উদ্দেশ্য রয়েছে।
গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মুন্না সিং বলেন, “অনলাইনে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম পূরণ খুব সহজ। কিন্তু ক্যাফেতে ক্যাফেতে মানুষের প্রচুর ভিড় হচ্ছে। এই গড়মে সকলে নেয়ে ঘেমে এক হয়ে যাচ্ছেন। তার উপর অনেকেই পরিবারের কাজ সামলে এই ফর্মপূরণ করতে সমস্যায় পড়ছেন। তাছাড়া অফলাইনে ফর্ম পূরণ করলে কাগজ নষ্ট হয়। সবুজ বাশ ও গাছ থেকে কাগজ তৈরি হয়। আমরা পেপারলেস ওয়ার্কের কথা বলি। কিন্তু বাস্তবে আমাদের করে দেখানো উচিত। সব দিক বিবেচনা করে আমার বাড়িতে বিনামূল্যে এই পরিষেবা চালু করেছি। এলাকায় এলাকায় ছেলে মেয়েরা এমন পরিষেবা চালু করলে সকলের সুবিধে হয়।“
সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এই ফর্ম পূরণের কাজ করছেন মুন্না। তার গ্রাম ও পাশের গ্রাম থেকে অনেকেই এসে এই পরিষেবা নিচ্ছেন। গ্রামের গৃহবধু বন্দনা চক্রবর্তী বলেন, “বাড়ির পাশে ঠান্ডায় বসে এমন পরিষেবা মেলায় খুব খুশি। আমার ফর্ম পূরণ হয়ে গেছে। আমি অন্যদেরও এখানে এসে ফর্ম পূরণ করতে বলবো। মুন্না ভাইয়ের এই উদ্যোগ খুব ভালো উদ্যোগ।“