জমা জল থেকে আবর্জনা, শহর সংস্কারে তৈরি ব্লু-প্রিন্ট! বর্ষার আগে ময়দানে মন্ত্রী-আমলারা
News18 বাংলা | ১০ জুন ২০২৬
জমাজলের সমস্যা সমাধান এবং শহরে আবর্জনা নিয়ন্ত্রণ সহ একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে হাওড়া পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। এবার সুপরিকল্পিত ভাবে সমস্যা সমাধানের পথে হাওড়া। এদিন হাওড়া পুরসভার নতুন কমিশনার, জেলাশাসক মন্ত্রী এবং বিধায়ক উপস্থিতে পাক বর্ষা প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবার পরিকল্পনা করা হয়। জমা জল ও আবর্জনা নিয়ন্ত্রণে আরও পরিকল্পিত ভাবে কাজের রূপরেখা তৈরি হয়েছে।
হাওড়া শহর মানে বহু স্থানে রাস্তার উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আবর্জনা, যে পথ চলার অযোগ্য প্রায়। পাশাপাশি বর্ষায় বিভিন্ন স্থানে জল জমে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। বর্ষায় অল্প কয়েকদিনের বৃষ্টিতে শহরের বেশ কিছু স্থানে জমা জলের দুর্ভোগ দেখা যায়। সেই সমস্ত দিক থেকে মানুষকে স্বস্তি দিতে একাধিক পরিকল্পনা করা হয় এদিন। এলাকার বাজারগুলিতে নির্দেশিকা দেওয়া হচ্ছে, বাজারের কোনও আবর্জনা বাইরে ফেলা যাবে না।
সেই আবর্জনা রাতে অথবা সকালে তোলা হবে পুরসভার তরফ থেকে। সেখান থেকে সরাসরি আবর্জনা ড্রাম্পিং গ্রাউন্ডে পৌঁছবে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী তথা উত্তর হাওড়ার বিধায়ক উমেশ রাই জানান, মুখ্যমন্ত্রীর প্রথমদিন প্রশাসনিক বৈঠকে আসার মূল উদ্দেশ্য ছিল পাক বর্ষা প্রস্তুতি। হাওড়া পুরসভা প্রায় ৫০০ কর্মী যাদের হাজিরা নেই, সেই স্থান পূরণ করে কাজের গতি ফেরানো হবে। ১০ জুন থেকেই ওপেন ড্রেন ও আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেন সংস্কারের কাজ শুরু হবে।
আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করা হবে। দুই শিফটে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। আবর্জনা নিয়ন্ত্রণে ট্রাইসাইকেল বক্সে আবর্জনা আসবে, সেই আবর্জনা সরাসরি শহরের বিভিন্ন স্থানে রাখা বিশেষ যানে আবর্জনা তুলে ড্রাম্পিং গাউন্ডে পাঠানো হবে। আগামীদিনে মুভেবেল কম্প্যাক্টর যান শহরের আবর্জনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে, শহরের সমস্ত আবর্জনা এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। নিকাশি ব্যবস্থা, পরিকল্পনা মাফিক কাজ এগোলে শহরের ৮০ শতাংশ জমা জলের সমস্যা মিটবে বলেই আশাবাদী মন্ত্রী।