• ফের রাজ্যসভায় নিভল তৃণমূলের ‘দেউটি’, ইস্তফা সাংসদ সুস্মিতা দেবের
    এই সময় | ১০ জুন ২০২৬
  • সুখেন্দুশেখর রায়ের পরে এ বার সুস্মিতা দেব। লোকসভার পরিষদীয় দলের ভাঙন ও টানাপোড়নের মাঝেই বুধবার রাজ্যসভাতেও আরও কমলো তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব। সূত্রের খবর, এ বার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সুস্মিতা দেব। তিনি ছিলেন জোড়াফুলের রাজ্যসভার সাংসদ। এর সঙ্গেই রাজ্যসভায় তৃণমূলের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ১১। শুধু রাজ্যসভার পদ নয়, তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকেই ইস্তফা দিয়েছেন সুস্মিতা। উল্লেখ্য, এর পরেই আলাদা করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে সুস্মিতার সাক্ষাতের ছবি সামনে আসে। তবে তিনি এক ফুল ছেড়ে অন্য ফুলে যাবেন কি না তা বলবে ভবিষ্যৎ।

    সোমবার সুখেন্দুশেখরের ইস্তফার পরে বুধে রাজ্যসভা থেকে সুস্মিতার পদত্যাগের খবর সামনে এল। এতে রাজ্যসভায় তৃণমূলের রক্তক্ষরণ আরও বাড়ল। সুস্মিতা দেব কংগ্রেসের প্রয়াত নেতা সন্তোষ মোহন দেবের মেয়ে। অসমের শিলচর থেকে কংগ্রেসের প্রতীকে লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পরে তিনি দল ত্যাগ করেন এবং ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। এর পরেই তিনি দ্রুত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অংশ হয়ে ওঠেন। তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্রও হন তিনি এবং পরে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ হন সুস্মিতা।

    অসমের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ সুস্মিতাকে দলে আনার পিছনে জোড়াফুল শিবিরের মূল লক্ষ্য ছিল উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তার। তাই ত্রিপুরা ও অসমে দলের সংগঠন বাড়ানোর দায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হয়েছিল। যদিও রাজনৈতিকভাবে এই দুই রাজ্যে তৃণমূলের তেমন কোনও অস্তিত্বই তৈরি হয়নি। উল্টে বাংলার বাইরে থেকে সুস্মিতাকে এনে রাজ্যসভার টিকিট দেওয়া নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষের ঝড় উঠেছিল। ভাঙন শুরু হতেই রাজ্যসভায় তৃণমূলের পদ ছাড়লেন নেত্রী সুস্মিতা।

    উল্লেখ্য, সোমবার রাতেই জল্পনা ছড়িয়েছিল রাজ্যসভায় তৃণমূলের তিন সাংসদ দিল্লিতে বিজেপির এক হেভিওয়েট নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। যা ইঙ্গিত দিচ্ছে দলবদলের। যদিও সেই দলে সুস্মিতা দেব ছিলেন কি না তার কোনও নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।

  • Link to this news (এই সময়)