• বাংলার নতুন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, নিশীথের দপ্তর বদল! একনজরে শুভেন্দুর পূর্ণ মন্ত্রিসভা
    প্রতিদিন | ১০ জুন ২০২৬
  • অপেক্ষার অবসান! রাজ্য মন্ত্রিসভার দপ্তর বন্টন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari Cabinet)। ৪১ জন মন্ত্রীর দায়িত্ব ভাগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী (তার মধ্যে তিনিও একজন)। পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়া দীপক বর্মন পেলেন স্কুল শিক্ষাদপ্তর। সঙ্গে রয়েছে আবাসন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দপ্তর। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত। স্বাস্থ্যদপ্তর পেয়েছেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তবে নিশীথ প্রামাণিকের দপ্তরের কিছুটা বদল করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন, জলসম্পদ তদন্ত ও উন্নয়ন দপ্তর পেয়েছেন তিনি। ক্রীড়া ও যুব কল্যাণদপ্তর গিয়েছে ইন্দ্রনীল খাঁর কাছে। পাশাপাশি তিনি ক্রেতা সুরক্ষাদপ্তর পেয়েছেন। তাপস রায় পেয়েছেন বাণিজ্য দপ্তর। অর্জুন সিং শ্রম ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী হয়েছেন। তবে স্বরাষ্ট্র, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতির মতো দপ্তরগুলি নিজের কাছে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    একনজরে দেখে নিন কোন দপ্তর গেল কার কাছে –

    পূর্ণমন্ত্রী

    শুভেন্দু অধিকারী- স্বরাষ্ট্র দপ্তর, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুুৎ দপ্তর, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর-সহ একাধিক দপ্তর। (যে দপ্তরগুলির দায়িত্ব ভাগ করা হয়নি সেগুলি নিজের কাছে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী)

    নিশীথ প্রামাণিক- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর, জলসম্পদ তদন্ত ও উন্নয়ন দপ্তর।

    অশোক কীর্তনিয়া- খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর।

    দিলীপ ঘোষ-পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর, কৃষি বিপণন দপ্তর।

    ক্ষুদিরাম টুডু- আদিবাসী কল্যাণ মন্ত্রী, সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।

    অগ্নিমিত্রা পল- পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর।

    দীপক বর্মন- স্কুল শিক্ষাদপ্তর, আবাসন ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দপ্তর। 

    তাপস রায়- শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তর।

    শংকর ঘোষ- পর্যটন, পরিষদীয় দপ্তর।

    মনোজকুমার ওরাওঁ-পরিবেশ ও বনদপ্তর।

    অর্জুন সিং- শ্রম ও পর্যটন দপ্তর।

    গৌরীশংকর ঘোষ- অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর, গ্রন্থাগার দপ্তর।

    জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়- উচ্চশিক্ষা দপ্তর

    স্বপন দাশগুপ্ত- অর্থদপ্তর।

    কল্যাণ চক্রবর্তী- তথ্য প্রযুক্তি দপ্তর, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তর।

    শারদ্বত মুখোপাধ্যায় – স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।

    অরূপকুমার দাস- সেচ দপ্তর।

    অজয়কুমার পোদ্দার-  জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও পূর্ত দপ্তর।

    দুধকুমার মণ্ডল- কৃষি দপ্তর।

    স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী

    মালতি রাভা রায়- নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর।

    রাজেশ মাহাতো- মৎস্য দপ্তর।

    ইন্দ্রনীল খাঁ- ক্রীড়া ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর।

    প্রতিমন্ত্রী 

    জোয়েল মুর্মু- আদিবাসী উন্নয়ন ও  সেচ দপ্তর।

    হরেকৃষ্ণ বেরা- উচ্চশিক্ষা দপ্তর।

    আনন্দময় বর্মন- পরিবহণ ও অর্থ দপ্তর।

    অশোক দিন্দা-  কৃষি বিপণন ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পদপ্তর।

    নাদিয়ার চাঁদ বাউরি- পূর্ত, অনগ্রসর জাতি কল্যাণদপ্তর।

    বিশাল লামা- স্বরাষ্ট্র দপ্তর, সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষাদপ্তর।

    শান্তনু প্রামাণিক- খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর।

    মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র- শিল্প দপ্তর, বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও বায়ো টেকনোলজি।

    উমেশ রায়- পরিষদীয় দপ্তর, পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর।

    পূর্ণিমা চক্রবর্তী- তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, পর্যটন দপ্তর।

    কৌশিক চক্রবর্তী- স্কুলশিক্ষা, দমকল দপ্তর।

    ভাস্কর ভট্টাচার্য- জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও শ্রম দপ্তর।

    দিবাকর ঘরামি- সমবায়, পরিবেশ ও বনদপ্তর।

    অমিয় কিস্কু- খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও কৃষি দপ্তর। 

    কলিতা মাজি- আবাসন দপ্তর।

    গার্গী দাস ঘোষ- বিদ্যুৎ দপ্তর।

    বিরাজ বিশ্বাস- আইন দপ্তর, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর।

    দীপঙ্কর জানা- ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর, সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তর।

    সুমনা সরকার- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।
  • Link to this news (প্রতিদিন)