ভোট পরবর্তী হিংসায় প্রত্যক্ষ মদত! গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার
প্রতিদিন | ১০ জুন ২০২৬
রাজ্যের পালাবদলের পর একের পর এক তৃণমূল নেতা গ্রেপ্তার হচ্ছেন। কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলররাও গ্রেপ্তার হচ্ছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হলেন তৃণমূল কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার। তিনি ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তাঁর বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে। গতকাল, মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে হিংসা-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
মধ্য কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকায় ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার। তিনি কলকাতা পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র পারিষদও। ২০২১ সালে নির্বাচনের পর ওই এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই হিংসায় প্রত্যক্ষভাবে নাম জড়িয়েছিল কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দারের! ২০২২ সালেও এলাকায় একটি ঝামেলা হয়েছিল। সেখানেও কাউন্সিলরের নাম জড়িয়েছিল। স্থানীয় এক মহিলা নারকেলডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগ পেয়েই নারকেলডাঙা থানার পুলিশ স্বপন সমাদ্দারের বাড়িতে হানা দেয়।
প্রথমে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে হিংসা-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সেসব অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতকে এদিন আদালতে তোলা হয়। গতকাল, মঙ্গলবার কলকাতায় গ্রেপ্তার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেপ্তার। গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁর স্বামীও। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক প্রতারণা, হুমকি, তোলা দিতে না চাওয়ায় মারধরে অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁর স্বামী সলিল চট্টোপাধ্যায়কেও।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খিদিরপুর অঞ্চলের এক অবসরপ্রাপ্ত অফিসারের থেকে কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামী ইন্সুরেন্সের নামে প্রায় ২৫ লক্ষ ও বিভিন্ন সময়ে আরও ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন! জানা গিয়েছে, ওই কাউন্সিলরের স্বামী এক সংস্থার ইন্সুরেন্স এজেন্ট। অভিযোগ, সেই সূত্রে জোর করে বিমা কিনিয়েছেন দুই অভিযুক্ত। পরে আরও টাকা দাবি করা হলে, দিতে রাজি না হওয়ায় অভিযোগকারীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর, গালিগালাজ করা হয়। আরও অভিযোগ, ধৃতরা ওই অফিসারের সামাজিক সম্মান নষ্ট করতে পিছুপা হননি। মৃত স্ত্রী ও বিবাহিত কন্যার নামে কুকথা বলতে থাকেন!