প্রতিদিনই বাড়ছে বিদ্রোহীদের সংখ্যা। পালাবদলের পরে পরিষদীয় দলে ভাঙন ধরেছিল আগেই। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে মোট ২০ জন সাংসদ ‘বিদ্রোহী’ তালিকায় নাম লিখিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় বুধবার যুক্ত হয়েছে আরও দুই সাংসদের নাম। যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ ও দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রের সাংসদ মালা রায় বিদ্রোহীদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যদিও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই বিষয়ে দু’জনের বক্তব্য মেলেনি।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে টানা জিতে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে সেই কেন্দ্র থেকে পরে জিতেছেন সুব্রত বক্সী ও মালা রায়। ১৯৯১ সাল থেকে এই কেন্দ্র ছিল তৃণমূলের দখলে। সেই কেন্দ্রের সাংসদ মালা রায় তৃণমূল বিদ্রোহীদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী লোকসভায় এনডিএ-কে সমর্থন করবেন বলেও জানা গিয়েছে।
অন্য দিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সংগঠনের দায়িত্বে থাকা সায়নী ঘোষ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন। জানা যাচ্ছে, বিক্ষুব্ধদের তালিকায় সাক্ষর করেছেন সায়নী ঘোষ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ২৯টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল। তার মধ্যে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হাজি নুরুল ইসলাম মারা গিয়েছেন। বাকি ২৮ জনের মধ্যে ২০ জন বিদ্রোহীদের দলে বলে জানিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেই তালিকা বুধবার ২২ হলো।