দুবরাজপুর পুরসভার পুরপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন পীযূষ পাণ্ডে। বুধবার ইস্তফা দেন তিনি।
এ দিন কেবল পুরপ্রধান একাই নন, তাঁর সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন পুর কাউন্সিলারদের একটি বড় অংশ। বুধবার দুপুরে পুরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে, উপ-পুরপ্রধান মির্জা শওকত আলি, কাউন্সিলার ভাস্কর রুজ, সুভাষ মেটে, বুল্টি চক্রবর্তী, সোনামনি বাগদি, সুজাতা পান্ডে-সহ মোট ৯ জন পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার জন্য সিউড়ি যান। সদর মহকুমা শাসকের হাতে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের ইস্তফাপত্র তুলে দেন। দুবরাজপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য পদত্যাগী কাউন্সিলার সোনামনি বাগদি বলেন, ‘৪ তারিখের পর থেকে ভেবেছিলাম দেব। কিন্তু পারিবারিক সমস্যার জন্য দিতে পারিনি, কোনও সমস্যা নেই।’
প্রায় ৩০ বছর ধরে দুবরাজপুর পুরসভার হাল ছিল পীযূষ পাণ্ডের হাতে। হঠাৎ এই গণ ইস্তফা কেন? পীযূষ পাণ্ডে জানান, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে তাঁদের এই সিদ্ধান্ত। তাঁর দাবি, জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। পদত্যাগ করলেও এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে নতুন নেতৃত্ব ও নতুন প্রশাসনের কাজের প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘পুরসভায় মোট ১৬ জন কাউন্সিলার আছেন। ৯ জন আজ করেছেন, এর আগে তিন জন পদত্যাগ করেছেন। বাকিরা সোমবারের মধ্যে করে দেবেন।’ তিনি জানান, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পদত্যাগ করবেন। ১৯৯৩ থেকে দুবরাজপুর পুরসভায় পুরপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন পীযূষ পাণ্ডে।