জাতীয় দলে বাংলার প্লেয়ারদের সংখ্যা বাড়ানোই লক্ষ্য: ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ
এই সময় | ১০ জুন ২০২৬
বুধবার প্রকাশ্যে এসেছে রাজ্য সরকারের দপ্তর বন্টনের বিজ্ঞপ্তি। ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ। নতুন দায়িত্ব পেয়ে পরিকল্পনার কথা স্পষ্ট জানালেন তিনি। ফুটবল হোক বা অন্য খেলা, ভারতের জাতীয় দলে বাংলার প্লেয়ারের সংখ্যা কার্যত নেই বললেই চলে। সুযোগ না পেয়ে এবং পরিকাঠামোর অভাবে অন্য রাজ্যের হয়ে খেলতে চলে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রতিভাবান অ্যাথলিটরা। এই নিয়ে অনেকদিনই সরব ক্রীড়া মহলের একাংশ। এর প্রতিকার করতে চান ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সাহায্যে অ্যাথলিটদের ভবিষ্যৎ আরও সুনিশ্চিত করতে চান তিনি। আর কী জানালেন?
‘এই সময় লাইভ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ। নতুন দায়িত্ব পেয়ে কোন কোন দিকে নজর দেবেন তিনি, সেটাও স্পষ্ট জানালেন।
ইন্দ্রনীল বলেন, ‘বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমাকে। বিশেষত দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি যুবসমাজের কল্যাণের জন্য এবং বিকশিত ভারতের স্বপ্ন দেখে তাঁদেরকে সাহস দিয়েছেন। সেই বিকশিত ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকব। আগে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে যুবসমাজের উন্নতির জন্য কাজ করেছি। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের যুবসমাজ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত ছিল। খেলো ইন্ডিয়া মুভমেন্ট, ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট থেকে বঞ্চিত ছিল। তাঁদের প্রাপ্য চাকরি দেওয়া হয়নি। বরং, পরিযায়ী করে রেখে দেওয়া হয়েছিল।’
এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের অ্যাথলিটদের অন্য রাজ্যের হয়ে খেলার কথাটাও তুলে ধরেছেন তিনি। জাতীয় দলে বাংলার প্লেয়ারদের কমতি মেটানোও লক্ষ্য বলে জানালেন ইন্দ্রনীল।
নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছেলেরা অন্য রাজ্যের হয়ে সন্তোষ ট্রফি খেলছে। ভারতের ফুটবল দলে বাংলার প্লেয়ার নেই বললেই চলে। অনেকদিন ধরে বিষয়টা চলছে। এই দিকে আমাদের বিশেষ ভাবে নজর দিতে হবে। ছেলেমেয়েরা যাতে ভবিষ্যতে আরও ভালো পারফর্ম করতে পারে তার জন্য সঠিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা ও পরিকল্পনাই আমাদের লক্ষ্য। এর পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের ডাবল ইঞ্জিন প্রকল্পের মাধ্যমে যাতে ওরা আরও সুযোগ-সুবিধা ও সাহায্য পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে বাংলার ছেলেমেয়েরা যাতে অলিম্পিক্স, কমনওয়েলথ গেমস ও বিশ্বকাপে রাজ্য ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে তার ব্যবস্থা আমরা করব।’