গৃহবধূর টাকা ঢুকত পঞ্চায়েত কর্মীর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে, চাঞ্চল্য
বর্তমান | ১১ জুন ২০২৬
সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: গ্রামের এক গৃহবধূর লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা ঢুকত পঞ্চায়েতের এক কর্মীর স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে কাকদ্বীপের শ্রীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে। জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের শ্রীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌধুরীমহল গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা মৌমিতা টিকাদার ২০২১ সালে লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা পাওয়ার জন্য সব নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি সব নথি জমা করেছিলেন পঞ্চায়েত অফিসে। তখন মৌমিতার বয়স ছিল ২১ বছর। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁর নামে লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা ঢুকতে শুরু করে। তবে ওই টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে না ঢুকে ওই পঞ্চায়েতের কর আদায়কারীর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকত। অভিযোগ, প্রায় চার বছর ধরে এই ঘটনা ঘটছে। বুধবার সেই টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য গ্রামের মহিলারা মৌমিতাকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েছিলেন। তখনই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে মৌমিতা টিকাদার বলেন, ‘সেই সময় ২১ বছর বয়স হওয়ার কারণে লক্ষ্মী ভাণ্ডার প্রকল্পে আমার নাম ওঠেনি। কিন্তু আমার নথিপত্রকে কাজে লাগিয়ে টাকা তুলেছেন অন্য মহিলা। আমার ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর ফের যখন লক্ষ্মী ভাণ্ডারের জন্য নথিপত্র জমা করি, তখন জানতে পারি আমার নামে আগে থেকেই টাকা উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের কর আদায়কারী বিজয়কৃষ্ণ সামন্তর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ওই টাকা ঢুকেছে। তবে সেই টাকা এখন তিনি ফেরত দেবেন বলে জানিয়েছেন।’ বিজয়কৃষ্ণ সামন্ত বলেন, ‘এই টাকা কীভাবে আমার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি জানার পর আমি মৌমিতার পরিবারকে জানিয়েছিলাম। এই ঘটনায় আমার কোনো দোষ নেই।’