• সিলিন্ডারের হ্যাঁপা এবার অতীত, আলিপুরদুয়ারের হেঁশেলে পৌঁছল পাইপলাইন গ্যাস
    News18 বাংলা | ১১ জুন ২০২৬
  • মধ্যবিত্তের রান্নাঘরের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হঠাৎ করে এলপিজি সিলিন্ডার শেষ হয়ে যাওয়া। গুরুত্বপূর্ণ অথবা ব্যস্ততার সময়ে এমন পরিস্থিতির শিকার হন অনেকেই। তবে সেই দিন এবার ধীরে ধীরে অতীত হতে চলেছে। কারণ রান্নাঘরের সেই চেনা ঝক্কির ছবি বদলে দিতে শুরু হয়েছে পাইপলাইনে রান্নার গ্যাস সরবরাহ। পাইপলাইনের গ্যাস চালু হয়ে গেল আলিপুরদুয়ারে।

    আলিপুরদুয়ার শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্তরঞ্জনপল্লির বাসিন্দা দেবযানী রায় ও পীযূষ কান্তি রায়ের রান্নাঘরে এল পাইপলাইনে জ্বালানি গ্যাস পরিষেবা। এ যেন উত্তরবঙ্গের জ্বালানি পরিকাঠামোয় এক নতুন অধ্যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন’ প্রকল্পের আওতায় গত ছ’মাস ধরে মাটি খুঁড়ে পাইপ বসানোর কাজ চলছিল। অবশেষে তার ফল পেতে শুরু করলেন আমজনতা।

    প্রথম উপভোক্তা দেবযানী দেবীর গলায় তাই স্বস্তির সুর। তিনি বলেন, হুট করে গ্যাস ফুরানোর টেনশন শেষ। সরবরাহকারী সংস্থার টেরিটরি ম্যানেজার পল্লব সাহা জানিয়েছেন, আলিপুরদুয়ারের এই পাইপলাইন প্রাকৃতিক গ্যাস কেবল একটা বা দুটো বাড়ির জন্য নয়। আগামী তিন মাসের মধ্যে জেলার প্রায় ৮ হাজার পরিবারকে এই পরিষেবার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিবেশবান্ধব গ্যাস শুধু দূষণই কমাবে না, বদলে দেবে জেলার নাগরিক জীবনের খোলনলচেও। এই পরিষেবার ফলে সিলিন্ডার বুকিং এর ঝামেলা যেমন শেষ হয়ে যাবে, তেমনভাবেই এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। বাড়িতে থাকবে ডিজিটাল মিটার। ঠিক যতটুকু গ্যাস খরচ হবে, মাসের শেষে বিল আসবে ঠিক ততটুকুই। জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত যারা এই কানেকশনের জন্য নাম লেখাবেন, তাঁদের এক পয়সাও রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে না।
  • Link to this news (News18 বাংলা)