জেলা সভাপতি পদ থেকে এ বার বিধানসভার অলিন্দে। তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া পাণ্ডুয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জিতেছেন তুষার মজুমদার। জিতেই নিজের এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতির প্রতিশ্রুতি বিধায়কের। পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালের ভোল পাল্টাতে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক।
প্রচারে গিয়েই গ্রামীণ হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কথামতো কাজ শুরু। তুষার বলেন, ‘আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেটা পূরণের জন্য ১০০ শতাংশ বদ্ধপরিকর। আমার প্রথম কাজ হবে পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালের উন্নয়ন। এই হাসপাতালের অবস্থা খুবই খারাপ।’ বিধায়কের দাবি, হাসপাতালে সাধারণ মানুষ ঠিকমতো চিকিৎসা পান না। যখন তখন স্থানান্তরিত করা হয় অন্য হাসপাতালে। পাশাপাশি হাসপাতালের বিল্ডিংয়ের ভগ্নপ্রায় অবস্থা।
বিধায়ক জানান, এই হাসপাতাল থেকে যাতে রোগীদের অন্যত্র রেফার করতে না হয়, তার জন্য চিকিৎসকের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। বিধায়ক বলেন, ‘চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ইতিমধ্যেই আমরা একটা আলোচনা করেছি। মন্ত্রীর কাছেও চিঠি করছি।’ এ ছাড়াও পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতাল করার পরিকল্পনা রয়েছে বিধায়কের। এর পাশপাশি হাসপাতালে পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা, উন্নতমানের বিশ্রামাগার, ব্লাড ব্যাঙ্কের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন বিধায়ক।
পাণ্ডুয়ায় ডিভিসি খালের উপরে একাধিক ব্রিজ ভগ্নপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। বিধায়ক বলেন, ‘পাণ্ডুয়ার বৈঁচি ব্রিজের দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা। দ্রুত সংস্কারের জন্য লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। তিন্না, তাঁবা ব্রিজগুলোও মেরামতির জন্য কাগজ জমা দেয়া হয়েছে।’ অন্য দিকে, বর্ষা জলে ডুবে যায় পাণ্ডুয়ার পীরপুকুর এলাকা। তার কাজ দ্রুত শুরু হবে। পিএইচির পানীয় জল যাতে মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছয়, তার জন্য এক মাসের মধ্যেই কাজ শুরু হবে বলে জানান বিধায়ক। বর্ষার জন্য রাস্তার কাজ থমকে রয়েছে, বর্ষা মিটলেই শুরু হবে রাস্তার কাজও।
রিপোর্টিং: সুজয় মুখোপাধ্যায়