• ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন কি না, সেটা দিদি বেছে নিন’, চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি কল্যাণের
    এই সময় | ১১ জুন ২০২৬
  • গত কয়েক দিনে তৃণমূলের যত জন সাংসদ, বিধায়ক ‘বিদ্রোহী’ হয়েছেন, সকলেই এক সুরে দুষেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কাকলি ঘোষদস্তিদার থেকে সুখেন্দুশেখর রায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সন্দীপন সাহা, সকলেই নিশানা করেছেন তাঁকে। তবে সতীর্থরা সরব হলেও খাতায় কলমে নেত্রীর হয়ে বিরোধীদের জবাব দিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এ বার তাঁর গলাতেও কি অন্য সুর? বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। বললেন, ‘ওঁর ঔদ্ধত্য, আচরণ অসহনীয় হয়ে উঠেছে… আমাকে ডাস্টবিন মনে করো না।’

    এ দিন সংবাদমাধ্যমে কল্যাণ জানান, বৃহস্পতিবার সই মামলায় অভিষেকের হয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগে সরে দাঁড়ান তিনি। কল্যাণ বলেন, ‘মঙ্গলবার ক্যামাক স্ট্রিট ও দিদির অফিসে সার্চ হয়। আমি দিল্লি থেকে ফিরে সার্চের সময়ে সেখানে যাই। গতকাল সকালে বিচারপতি কৌশিক চন্দের কাছে মেনশন করি। জানাই ম্যাটার আর্জেন্ট। যে কোনও সময়ে যা কিছু হতে পারে। বিচারপতি বলেন, আজ শুনবেন। এর পরে অন্য আইনজীবী এসে বললেন, সার্চ নিয়ে আলাদা রিট পিটিশন ফাইল করেছেন। আমি বললাম, ফাইল করলেন জানালেন না কিছু? বলছেন, উপর থেকে নির্দেশ এসেছে।’

    কল্যাণের সংযোজন, ‘আমি ওঁর ম্যাটার কোনও দিনই আর লড়ব না। ওঁর ঔদ্ধত্য, আচরণ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এই সময়ে দিদির পাশে দাঁড়িয়েছি আমি। রিস্ক নিয়েও সব জায়গায় যাচ্ছি। তার পরেও ওঁর অসম্মান করার অভ্যাসটা বদলাল না। সবাইকে ক্যামাক স্ট্রিটের কর্মী মনে করেন। ৪৫ বছর হয়ে গেল আমার এই পেশায়। অথচ ওঁর এত ঔদ্ধত্য যে কাউকে সম্মান করেন না। আমিও সকালে ডেরেককে বলে দিয়েছি, দিদিকে বলে দাও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন না কে থাকবেন, এ বার দিদিই বেছে নিন। অভিষেকের জন্য পার্টিতে অনেক কিছু হয়ে গিয়েছে। এখন দিদি ঠিক করুন অভিষেককে নিয়ে চলবেন নাকি আমার মতো কর্মীদের নিয়ে চলবেন।’

  • Link to this news (এই সময়)