• বর্ষার শুরুতেই বিপদসীমা ছুঁইছুঁই তিস্তা, সন্ধ্যা ঘনালেই জারি হচ্ছে সতর্কতা
    প্রতিদিন | ১১ জুন ২০২৬
  • বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতেই বিপদসীমা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে তিস্তা। বুধবার রাতে মেখলিগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছিল সেচ দপ্তর। মঙ্গলবার কেরল হয়ে বর্ষার মেঘ ঢুকেছে উত্তরে। বুধবার সকাল থেকে বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজেছে জলপাইগুড়ি। সিকিম পাহাড়ে বৃষ্টির জেরে গজলডোবা ব্যারেজ থেকে দফায় দফায় জল ছাড়ায় জলস্তর বেড়েছে তিস্তার। বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মেখলিগঞ্জে তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল সেচ দপ্তরের তরফে। তবে বৃহস্পতিবার সকালে তা তুলে নেওয়া হয়েছে। আবার সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি বুঝে ফের সতর্কতা জারি হতে পারে।

    গত বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তরে প্রবেশ করে বর্ষা। অন্যান্য বছরের মতো এই বছরও ১ জুন থেকে বর্ষা বরণের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল সেচ দপ্তর। তবে এই বছর হতাশ করেনি প্রাক বর্ষার বৃষ্টি। বর্ষার মেঘ ঢোকার আগেই প্রায় হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলাতে। যা সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ড বলে দাবি। তবে মঙ্গলে বর্ষা ঢুকলেও বুধে পা দিয়েছে বৃষ্টি। এদিন সকাল থেকে আকাশ কালো করে মুষলধারায় বৃষ্টি শুরু হয় জলপাইগুড়িতে। বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন।

    এদিকে, পাহাড়ে বৃষ্টির জেরে তিস্তা নদী জলস্তর বাড়তে থাকায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে তিস্তা পাড়ের কৃষকদের মধ্যে। চরের জমিতে আবাদ করা কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা-সহ জমির ফসল তোলার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সীমানা সংলগ্ন তিস্তার মেখলিগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় জলস্তর বিপদসীমা ছোঁয়ায় অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সেচ দপ্তরের উত্তর পূর্ব বিভাগের কন্ট্রোল রুম থেকে নদীর পরিস্থিতির উপর নজরদারি চলছে। বর্ষার এই সময় নদী বাঁধগুলোর উপর নজর রাখতে কুড়িটির ও বেশি কুইক রেসপন্স টিম তৈরি রাখা হয়েছে বলে সেচ দপ্তর জানিয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)