• দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের মাঝে কলকাতা ফিরলেন সায়নী, শিবির বদল নিয়ে কী বললেন?
    প্রতিদিন | ১১ জুন ২০২৬
  • একে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ নেতারাই নাম লিখিয়েছেন ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে। তালিকায় নাকি রয়েছেন তৃণমূলের নয়া কমিটিতে যুব সভানেত্রীর দায়িত্ব পাওয়া সায়নী ঘোষও (Saayoni Ghosh)। ইতিমধ্যেই তিনি সইও সেরেছেন বলেই খবর। যা নিয়ে চর্চা সর্বত্র। তবে এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে কার্যত ‘উধাও’ সায়নী। জনসমক্ষে আসা তো দূর, দলের গ্রুপগুলোতেও তাঁকে অ্যাকটিভ দেখা যায়নি। সেই কারণেই হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেতারা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার কলকাতা ফিরলেন সায়নী।  

    পালাবদলের পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। পরিষদীয় ও সংসদীয় দলের রাশ হাতছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এমনকী ‘ছোট লালবাড়ি’ও হাতছাড়া হয়েছে তাঁর। পরিষদীয় দলের রাশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে যেতেই দলের যাবতীয় কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পরবর্তীতে যে কমিটি ঘোষণা করা হয়, সেখানে তৃণমূলের যুব সভানেত্রীর পদ দেওয়া হয়েছিল সায়নীকে। অর্থাৎ এই ভাঙনের মরশুমেও অভিষেক ঘনিষ্ঠ সায়নীকে ভরসা করেছিলেন মমতা। কিন্তু তারপর থেকেই বেপাত্তা সায়নী। পরবর্তীতে শোনা যায়, বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় রয়েছেন তিনিও। এমনকী লোকসভার স্পিকারকে যে চিঠি দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে নাকি সায়নী সইও করেছেন। তবে গোটা ঘটনায় একেবারে চুপ সায়নী। টু শব্দটিও করেননি তিনি। 

    স্বাভাবিকভাবেই সায়নীকে নিয়ে কর্মীরাই ধন্দে। তাঁরা বুঝতে পারছেন না নেত্রী আদতে কোন শিবিরে। তা নিয়ে দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন একাংশ। তাঁদের প্রশ্ন, সায়নী কোথায়? সকলের দাবি, সায়নী নিজের অবস্থান স্পষ্ট করুন। তিনি তৃণমূলের সঙ্গে থাকলে, তা জানান। বিদ্রোহী শিবিরে গেলে, সেটাও বলুন। এই চ্যাট প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে রাজনৈতিক মহলে। এরই মাঝে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে বেরতে দেখা গেল সায়নী ঘোষকে। মাথায় টুপি, মুখে মাস্ক, পরনে জিন্স-টি-শার্ট, এভাবেই বিমানবন্দর থেকে বের হন তিনি। সটান উঠে পড়েন গাড়িতে। শিবির বদল নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও কোনও জবাব দেননি তিনি।    
  • Link to this news (প্রতিদিন)