২০ কোটির ফান্ডে সংস্কার হবে হিংলো বাঁধ! তবে এখনই কেন শুরু হচ্ছে না কাজ? জানাল সেচ দফতর
News18 বাংলা | ১২ জুন ২০২৬
: চলতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ অথবা নভেম্বরের আগে কোনওভাবেই শুরু করা যাচ্ছে না খয়রাশোলের হিংলো বাঁধের সংস্কার। ঠিক এমনটাই খবর সেচ দফতর সূত্রে। গত মাসের ১৯ তারিখ এই বাঁধ নতুনভাবে সংস্কারের কাজের ছাড়পত্র দেয় রাজ্য সরকার। দায়িত্ব দেওয়া হয় পূর্ত দফতরের অধীনস্থ ম্যাকিনটোস বার্ণ লিমিটেড সংস্থাকে। তবে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকে যাবে। আর সেই কারণে এখনই সংস্কারের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।
এই বাঁধ সংস্কারের জন্য খরচ পড়বে প্রায় আনুমানিক ২০ কোটি টাকা। বিশ্ব ব্যাঙ্কের টাকায় কাজ হবে। এই বাঁধের মোট ১০ টি গেট দিয়ে বিভিন্ন সময় জল ছাড়া হয়। সেই গেটের কাঠামোগত অবস্থা দেখে সেগুলি মেরামত এবং প্রয়োজনে পরিবর্তন করা হবে। ১৯৭৬ সালে ঝাড়খণ্ড ঘেঁষা খয়রাশোলের বাবুইজোড় এলাকায় সেচ ও জলপথ বিভাগ হিংলো জালধারটি নির্মাণ করেন।
বর্তমানে পলি জমে জলাধারের গভীরতা কমতে শুরু করেছে। যখন এই জলাধার নির্মাণ করা হয় তখন এই বাঁধের জল ধারণের ক্ষমতা ছিল ১৩,৮৪৫ একর ফিট। সেচ দফতরের আধিকারিকদের সূত্রে জানা গেছে নির্মাণ হওয়ার সময় হিংলো তলদেশের উচ্চতা ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০৮ ফুট। জল ধারণ করে রাখা যেত ৩২৪ ফুট পর্যন্ত। তবে বিগত বেশ কয়েক বছর আগে ৩২৪ ফুট পর্যন্ত জল রাখতে গিয়ে নানা ধরনের সমস্যা লক্ষ্য করা যায়।
এই সমস্যার কথা জানার পর মালদহ থেকে এসেছিলেন সেচ দফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার। বিভিন্ন ধরনের পর্যবেক্ষণের পর জানিয়ে দেন ৩১৬ ফুট উচ্চতার বেশি জল কোনওভাবেই ধরে রাখা যাবে না। সেইদিন থেকেই সংস্কার প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। তবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকার কারণে সেই কাজ আটকে পড়েছিল। তবে সেই টাকার সমস্যা মিটে যাওয়ার কারণে সংস্কারে কাজের জন্য ছাড়পত্র দেয় রাজ্য সরকার। খয়রাশোল জলাধারে দায়িত্বে থাকা এসডিও গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন “অক্টোবর অথবা নভেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু হবে, চারদিকের বাঁধ শক্তিশালী করা হবে। তবে বাঁধের মধ্যে যে পলি সেটা উত্তোলন এই ধাপে হচ্ছে না।”