গুজরাটের পর মধ্যপ্রদেশ। আরও এক রাজ্যে বিজেপি ঝড়ে উড়ে গেল বিরোধীরা। বৃহস্পতিবার গেরুয়া শিবিরের তিন প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হলেন। উল্লেখ্য,কংগ্রেসের রাজ্যসভা প্রার্থী মীনাক্ষী নটরাজনের প্রার্থীপদ বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। ফলে রাজ্যসভায় বিজেপির কোনও প্রতিদ্বন্দ্বীই অবশিষ্ট ছিল না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির জয় ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
বৃহস্পরিবার রজনীশ আগরওয়াল, তরুণ চুঘ এবং মহেশ কৈবতকে জয়ীর শংসাপত্র দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এই জয় আটকাতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। মীনাক্ষীর মনোনয়ন বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে হাত শিবির। নির্বাচন কমিশনেও গিয়েছে কংগ্রেসের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। কিন্তু লাভ হয়নি। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি। আদালতেও শুক্রবার এই ইস্যুতে শুনানি হবে। অর্থাৎ, বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করতে কোনও বাধাই ছিল না এদিন।
উল্লেখ্য, আগামী ১৮ জুন রাজ্যসভা নির্বাচন। কিন্তু তার আগেই হলফনামায় তথ্য গোপনের অপরাধে বাতিল হয় কংগ্রেস প্রার্থী মীনাক্ষী নটরাজনের মনোনয়ন। মীনাক্ষীর বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসারের কাছে তথ্য গোপনের অভিযোগ জানান বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং রাকেশ সিং। অভিযোগ করেন, হায়দরাবাদের এক আদালতে ফৌজদারি মামলা রয়েছে মীনাক্ষীর বিরুদ্ধে। মীনাক্ষীর কোন যুক্তি মানেননি রিটার্নিং অফিসার। তিনি কংগ্রেস প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে দেন।
কিন্তু একই অভিযোগ উঠলেও বাতিল হয়নি এনডিএ সমর্থিত নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানির মনোনয়ন। তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ এনেছিলেন ঝাড়খণ্ডের কংগ্রেস বিধায়ক নমন বিক্সাল কোঙ্গারি। তিনি দাবি করেন, হলফনামায় একাধিক বাণিজ্যিক সংস্থায় ডিরেক্টর থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেননি পরিমল। এছাড়া মনোনয়নের নথিতে যেভাবে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেটিও যথাযথ নয়। তা সত্ত্বেও বাতিল হয়নি তাঁর মনোনয়ন। অর্থাৎ এক যাত্রায় পৃথক ফল! আদালতে কি বাতিল হবে বিজেপি প্রার্থীর জয়?