• গরমের চোটে হাসি ফুটেছে 'এইসব' ব্যবসায়ীদের মুখে, সকাল থেকেই দোকানে উপচে পড়া ভিড়
    News18 বাংলা | ১২ জুন ২০২৬
  • জ্যৈষ্ঠের দাবদাহে কার্যত নাজেহাল জেলার মানুষ। সকাল গড়াতেই চড়ছে পারদ, আর দুপুর হতে না হতেই রাস্তাঘাট যেন আগুনের চাদরে ঢেকে যাচ্ছে। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা আট থেকে আশির। তবে এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মধ্যেই শরীর ও মনের কিছুটা স্বস্তির খোঁজে বাজারমুখী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর সেই কারণেই এখন রীতিমতো জমজমাট মৌসুমি ফলের বাজার।

    বহরমপুর-কান্দি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সবজি বাজারে সকাল থেকেই দেখা গেল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। কারও হাতে আমভর্তি ব্যাগ, কেউ দরদাম করে কিনছেন লিচু, আবার কেউ বাড়ির জন্য তুলে নিচ্ছেন তালশাঁস। গরমের ক্লান্তি দূর করতে এবং শরীরে জলের ঘাটতি মেটাতে মৌসুমি ফলের উপরই এখন ভরসা করছেন অধিকাংশ মানুষ। বাজারে বর্তমানে বিভিন্ন প্রজাতির আমের সম্ভার। ল্যাংড়া, হিমসাগর, সাদুল্লা, ফজলি, সবকটিরই চাহিদা রয়েছে চোখে পড়ার মতো। স্বাদ ও গুণমান অনুযায়ী দামের কিছুটা তারতম্য থাকলেও বিক্রিবাট্টা নিয়ে সন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরা।

    তাঁদের দাবি, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এখন ক্রেতার সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে বাজারে ভিড় আরও বাড়ছে। আমের পাশাপাশি লিচুর বাজারেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। লাল টুকটুকে লিচুর গুচ্ছ নজর কাড়ছে ক্রেতাদের। অন্যদিকে গরমে স্বস্তির আরেক নাম হয়ে উঠেছে তালশাঁস। রাস্তার ধারের দোকান থেকে শুরু করে বাজারের ফলের স্টল, সর্বত্রই তালশাঁস কিনতে দেখা যাচ্ছে মানুষকে। শিশু থেকে প্রবীণ, সকলের কাছেই এই ফলের কদর বেড়েছে।

    তবে ফলের এই রমরমার বাজারে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে শসা। একসময় গরমে শসার চাহিদা থাকলেও বর্তমানে ক্রেতাদের নজর বেশি আম, লিচু এবং তালশাঁসের দিকেই। ফলে শসার বিক্রি তুলনামূলকভাবে কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গরম যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে মৌসুমি ফলের চাহিদা। স্বাস্থ্য সচেতনতার পাশাপাশি স্বাদ ও তৃপ্তির খোঁজেও মানুষ ঝুঁকছেন প্রাকৃতিক ফলের দিকে। আর সেই কারণেই জেলার বিভিন্ন বাজারে এখন মৌসুমি ফলের ব্যবসায়ীদের মুখে ফুটেছে হাসি। আম কেজি প্রতি ৩০ টাকা, লিচু প্রতি পিস ২০ টাকা ও তালের শাঁস ৪০টাকাতে চারপিস হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)