সুন্দরবনের ইতিহাসের খনি 'এই' জায়গা, পুঁথি সংরক্ষণে মোক্ষম দাওয়াই দিল ভারত সরকার
News18 বাংলা | ১২ জুন ২০২৬
এবার প্রাচীন পুঁথি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিল ভারত সরকার। সেই লক্ষ্যে তথ্য সংস্কৃতি দফতরের প্রতিনিধি পৌঁছে যান খাড়ি ছত্রভোগ সংগ্রহশালায়। সেখানে ৫ টি প্রাচীন পুঁথির ওপর কাজ করা হয়েছে। এই সংগ্রহশালাটি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যেতে বসেছিল। এই মিউজিয়ামটি তৈরি করেছিলেন দীনবন্ধু নস্কর।
সুন্দরবনের ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে একাই শুরু করেছিলেন লড়াই। বর্তমানে সুন্দরবনের ইতিহাসের একটি জীবন্ত দলিল এই মিউজিয়াম। কিন্তু দীনবন্ধু নস্কর প্রয়াত হওয়ার পর থেকে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই মিউজিয়াম নষ্ট হয়ে যেতে বসেছিল। বর্তমানে তাঁর পুত্র পঙ্কজ নস্কর মিউজিয়ামের দেখভাল করছেন। নতুন করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করায় আশার আলো দেখছেন তিনি। সমগ্র দেশ জুড়ে প্রাচীন পুঁথি সংরক্ষণের জন্য ভারত সরকারের জ্ঞান ভারতম-এর ওপর কাজ হচ্ছে।
এর মাধ্যমএ প্রাচীন পুঁথি সংরক্ষণ, ডিজিটাল নথিপত্র তৈরি এবং জাতীয় সার্ভের কাজ হচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিক ও গবেষকরা প্রাচীন পান্ডুলিপির খোঁজ পেতে ও তা সংরক্ষণ করতে সরাসরি অংশ নিতে পারেন। জ্ঞান ভারতম-এর ভূমিকা ও ব্যবহার সংস্কৃতি মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে ‘ন্যাশনাল মিশন ফর ম্যানুস্ক্রিপ্টস’-এর অধীনে এই অ্যাপ ও উদ্যোগটি পরিচালিত হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কোটি কোটি পান্ডুলিপিকে চিহ্নিত করতে এটি একটি জাতীয় মানচিত্র তৈরি করা।
পুঁথি নিবন্ধন, তালপাতা, ভূর্জপত্র বা প্রাচীন কাগজে লেখা পুঁথিগুলো নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে এগুলি ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। পুঁথির ভাষা, লিপি, বিষয়বস্তু এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে ভারতের ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানের সংরক্ষণ করার কাজ হচ্ছে। এদিকে খাড়ির ছত্রভোগ সংগ্রহশালায় এই কাজ হওয়ায় খুশি মিউজিয়ামের কিউরেটর পঙ্কজ নস্কর। আগামী দিনে সরকারের সঙ্গে এই মিউজিয়াম নিয়ে সরকারের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।