চোরাশিকারীদের ডেটাবেস পুড়ে খাক! আর কী কী নষ্ট হল আলিপুর অগ্নিকাণ্ডে? তালিকা লম্বা
News18 বাংলা | ১২ জুন ২০২৬
আলিপুরে জেলা পরিষদে আগুন লাগার ঘটনায় চমকে উঠেছিল সকলেই। এবার নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে আগুন লাগার ঘটনায়। জানা গিয়েছে চোরাশিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বাঘের চামড়া, লকারে থাকা হরিণের শিং, তার পাশেই আরেকটি লকারে ছিল হরিণের চামড়া থেকে কুমিরের দাঁত। সবই উদ্ধার হয়েছিল চোরাশিকারিদের কাছ থেকে।
সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় গোপন তল্লাশি চালিয়ে বনদফতরের কর্মীরা জীবন বাজি রেখে উদ্ধার করেছিলেন এই সমস্ত বন্যপ্রাণীর দেহাংশ। সেইমতো আসামিদের গ্রেফতার করে কেস সাজানো হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে। আলাদা করে এখানে ছিল একটি ল সেল। যেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন দ্বীপের বিভিন্ন জায়গার চোরাশিকারিদের ডেটাবেস রাখা হত। উপযুক্ত সব সাক্ষ্যপ্রমাণ হাজির থাকত আলিপুরের এই জেলা পরিষদের ভবনের তৃতীয় তলে। আর সেই সমস্ত সাক্ষ্য ও তথ্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করেই সাজা হত বন্যপ্রাণী হত্যাকারীদের বা জঙ্গল ধ্বংসকারী সমাজ বিরোধীদের।
কিন্তু কয়েক মিনিটে আগুনের গ্রাসে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে দুষ্প্রাপ্য এবং দুর্মূল্য সমস্ত নথি ও তথ্য প্রমাণ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই বিল্ডিংয়েই থাকা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিস। এখান থেকেই জেলার সমস্ত রেঞ্জ অফিসগুলি নিয়ন্ত্রিত হত। শুধু তাই নয়, ১৯৭৩ সালে যখন আলাদাভাবে টাইগার প্রোজেক্টকে ঘোষণা করা হয়নি তার আগে থেকেই এই অফিসটি ছিল। ফলে শুধুমাত্র বন দফতর নয়, সুন্দরবনের ব্যাঘ্র প্রকল্পেরও অজস্র নথি এখানে সংরক্ষিত ছিল।