হাবড়ায় 'অ্যাকশন মোডে' বিধায়ক, দীর্ঘ ৮ বছর আটকে থাকা কাজের ডেডলাইন প্রকাশ
News18 বাংলা | ১২ জুন ২০২৬
চলতি বছরের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে চালু হবে হাবড়া শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি, বড় আশ্বাস বিধায়কের। ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে হাবড়াবাসী সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষদের। বিধায়ক দেবদাস মণ্ডলের ঘোষণার পরই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার প্রক্রিয়া। হাবড়া পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাণীপুর এলাকায় রয়েছে পুরসভা পরিচালিত মুক্তিধাম শ্মশান।
হাবড়া, অশোকনগর, গাইঘাটা, গুমা, বিড়া, কুমড়া ও কাশীপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ মৃতদেহ সৎকারের জন্য এই শ্মশানের উপর নির্ভরশীল। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে বৈদ্যুতিক চুল্লি চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে ঘটা করে হাবড়া শ্মশানে বৈদ্যুতিক চুল্লি প্রকল্পের শিলান্যাস করা হয়েছিল। প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল প্রায় ৩ কোটি ১১ লক্ষ টাকা। সেই সময় ঘোষণা করা হয়েছিল, দু’বছরের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে ইলেকট্রিক চুল্লি।
কিন্তু শিলান্যাসের পর কেটে গিয়েছে প্রায় আট বছর। তৈরি হয়েছে শুধুমাত্র ভবন, চালু হয়নি পরিষেবা। সম্প্রতি হাবড়া শ্মশান পরিদর্শনে যান বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। তিনি বৈদ্যুতিক চুল্লির ভবন, অফিস ঘর ও বিশ্রামাগারের কাজ খতিয়ে দেখেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, “আগের সরকার কাজ শুরু হওয়ার আগেই টাকা সরানোর কাজ শুরু করেছিল। তাই আট বছরেও একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা যায়নি।”
এরপরই দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়ে বিধায়ক জানান, আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেই হাবড়া শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা হবে। পাশাপাশি শ্মশান চত্বরের সৌন্দর্যায়ন, মৃতদেহ সৎকার করতে আসা পরিবারের লোকজনের জন্য উন্নত বিশ্রামাগার তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। বিধায়কের ঘোষণার পর নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন হাবড়ার বাসিন্দারা। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলে বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।