• ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য: শুভেন্দু অধিকারী
    বর্তমান | ১২ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার কলকাতার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে হওয়া উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  এ উপলক্ষে তিনি একটি সাংবাদিক বৈঠকও করেন এদিন।

    বক্তব্যের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বের প্রশংসায় সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি শুধু প্রশাসনিক রেকর্ডই গড়েননি, বরং নিজেকে সবসময় ‘প্রধান সেবক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। আবাসন, খাদ্য নিরাপত্তা, পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের কৃতিত্বও তিনি মোদি সরকারের ঝুলিতে তুলে দেন। শুভেন্দু অধিকারীর জানান, মোদির নেতৃত্বে ভারত আজ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গত ১২ বছরে দেশে চার লক্ষ কিলোমিটারেরও বেশি পাকা রাস্তা নির্মিত হয়েছে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে এবং মোবাইল উৎপাদনে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, ৮২ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ এবং দুগ্ধ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে ভারত নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে চলেছে। দেশের ঐতিহ্য রক্ষা ও উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই এনডিএ সরকার রাষ্ট্র নির্মাণের কাজ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, নতুন বিমানবন্দর, আইআইটি, এইমস-সহ একাধিক জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে গত কয়েক বছরে। রেলের আধুনিকীকরণ, স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণ এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নেও কেন্দ্রের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়াও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের সুফল পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ইতিমধ্যেই পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সবশেষে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ভারতের সঙ্গে বর্তমান ভারতের পার্থক্য স্পষ্ট। আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলাই কেন্দ্র সরকারের প্রধান লক্ষ্য, এবং সেই লক্ষ্য পূরণে দেশ এগিয়ে চলেছে।
  • Link to this news (বর্তমান)