• স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন রচনা?
    আজকাল | ১৩ জুন ২০২৬
  • মিল্টন সেন: রাজ্যের স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে জল্পনা সৃষ্টি করলেন হুগলির সাংসদ রচনা ব্যানার্জি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন রচনা ব্যানার্জি। বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।

    পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদল ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণার দিনই হুগলির সাংসদকে দেখা যায় গেরুয়া আবির মাখা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে সেলফি তুলতে।

    তখন থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনার সূত্রপাত হয়। এরপর দিল্লিতে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের ব্লকে নাম লেখানোয় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়।

    সূত্রের খবর, রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকারকে ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করলেন সাংসদ রচনা। সুমনা যে বিধানসভার বিধায়ক, সেই বলাগড় বিধানসভা হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে।

    জানা গিয়েছে, সাংসদ সুমনার অফিসে গিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোরও ইচ্ছা প্রকাশ করেন। যদিও মন্ত্রী সুমনা সরকার তাতে সাড়া দেননি।

    এই প্রসঙ্গে সুমনা বলেন, ‘উনি একজন সাংসদ। একটা সৌজন্যের বার্তা দিতে চেয়েছেন। আমার পার্টি হচ্ছে আমার কাছে সবথেকে বড়। আমি আমার পার্টির গাইডলাইনের বাইরে কিছু করতে পারব না। বিগত দিনেও আমি আমার পার্টির গাইডলাইনের বাইরে কোনও কাজ করিনি। দল আমাকে যেভাবে নির্দেশ দিয়েছে সেভাবে চলেছি। আমার দল থেকে যদি বার্তা আসে নিশ্চয়ই আমি কথা বলব। কিন্তু আমার দল থেকে তেমন কোনও নির্দেশ আসেনি। আমার বিধানসভার এক একজন কর্মী আমার কাছে সম্পদ। তাঁরা বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে। যারা লড়াই করেছে তাদের আগে প্রাধান্য দেওয়া দরকার। জানতে হবে তাঁরা কি চাইছেন। আমার সঙ্গে অনেকে যোগাযোগ করতে চাইছে। কিন্তু আমাদের দলের যারা কার্যকর্তারা রয়েছেন, তাঁদের একটা মতামত নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ওনার পিএ আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আমার কার্যালয়ে আসবেন। আমার কার্যকর্তারা যেটা ভাল বুঝবেন সেটা করবেন।’ যদিও এই প্রসঙ্গ নিয়ে সাংসদ রচনা ব্যানার্জিকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
  • Link to this news (আজকাল)