• সর্বনাশ! শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের ভিতরে ওগুলো কী!
    আজকাল | ১৩ জুন ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি একাধিক তৃণমূল নেতার কার্যালয়, কখনও বাড়ি, কখনও লাগোয়া ক্লাব থেকে উদ্ধার হয়েছে ত্রাণ সামগ্রী, কম্বল, শাড়ি ইত্যাদি। তবে এবার লেকটাউনে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের ভিতর থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী।

    জানা গিয়েছে, শ্রীভূমি ক্লাবের ভিতরে যে পরিমাণ ত্রাণ মিলেছে তার বেশিরভাগটাই গঙ্গাসাগরের পুণ্যার্থীদের বন্টন করার জন্য ছিল। সেই ত্রাণই উদ্ধার হয়েছে শ্রীভূমি ক্লাবের ভিতর থেকে।

    জানা গিয়েছে, পিতলের কলস, ত্রিপল উদ্ধার করা হয়েছে প্রাক্তন দমকল মন্ত্রীর ক্লাব থেকে। তবে রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বর্তমানে জেল হেফাজতে। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে সম্প্রতি গ্রেপ্তার হন রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।

    ইডির তলবে সাড়া দিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু এবং আইনজীবী। সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরা করার পরে গ্রেপ্তার করা হয় সুজিতকে।

    ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি গ্রেপ্তার করে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে। পরে তাঁকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পেশ করা হয়। ইডির আইনজীবী জানিয়েছিলেন, ‘সুজিত বসুকে ১০ দিনের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আমরা আবেদন করছি।’

    জানা গেল, ২১ মে পর্যন্ত ইডি হেফাজত সুজিত বসুর। ইডি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘আমরা কেন হেফাজতে চাইছি? কারণ তাঁর কাছে অনেক কাগজ আছে।

    ১৫০ জন ক্যান্ডিডেটকে চাকরির দেওয়ার জন্য অয়ন শীল মূল অভিযুক্ত, এছাড়াও আরও অনেকে যুক্ত আছে। তাঁর শিক্ষক নিয়োগেও ভূমিকা রয়েছে। ডিজিটাল এভিডেন্স পাওয়া গিয়েছে।

    অয়ন শীলের থেকে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সুজিত বসু প্রভাবশালী নেতা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সমন করা হয়েছিল বারবার। তবে এড়িয়ে যান তিনি। ভোটের পর তাঁকে আস্তে বলা হয়েছিল। ১ মে আসেন।

    যদিও সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। ডিজিটাল রেকর্ড নষ্ট করেছে। তিনি এবং তাঁর পরিবার টাকা পেয়েছে একটি সংস্থা থেকে।’ এছাড়াও ইডি আদালতে জানায়, ২০১৪ সাল থেকে ‘এবিএস ইনফো জোন’- কে নিয়োগ করার জন্য বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ করা হয়েছে।

    ১৬.৬ কোটি টাকা ছেলে মেয়েদেরকে ট্রান্সফার করেছেন। এই সংস্থার বিদেশি ট্রানজেকশন পাওয়া গিয়েছে। প্রপার কোনও লিগ্যাল লিংক পাওয়া যায়নি। নিয়োগ করে কোটি কোটি টাকা হাতানো হয়েছে।

    শ্রীভূমির একটি প্রজেক্ট-এর জন্য তিনটি ফ্লোর নিয়েছেন কিন্তু কোনও টাকা দেননি। আমরা গ্রেপ্তার মেমো দিয়েছি, কেস ডায়েরি আছে।
  • Link to this news (আজকাল)