• বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গী, মহিলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা মালার, দায়িত্ব পেলেন আলিফা
    এই সময় | ১৩ জুন ২০২৬
  • বিদ্রোহ করেছেন আগেই। লোকসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদরা স্পিকারকে যে চিঠি দিয়েছেন, তাতে তাঁর নাম রয়েছে ১৮ নম্বরে। সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসার আগেই গত ৮ জুন তৃণমূলের মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মালা রায়। তবে তা প্রকাশ্যে এলো শুক্রবার। যদিও তিনি তৃণমূল ছাড়ছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মালার পদত্যাগের পরেই মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন হিসেবে আলিফা আহমেদের নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল।

    মালা দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ। ২০২১ থেকে মহিলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সনের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সনও ছিলেন তিনি। এখন অবশ্য পুরবোর্ড ভেঙে গিয়েছে। এ বার মহিলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন পদ থেকেও ইস্তফা দিলেন মালা।

    কয়েক দিন আগেই দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তৃণমূলের লোকসভার ১৯ জন সাংসদ। স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে তাঁরা এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানান। সেখানে সই করেছিলেন মালাও। তার আগেই তিনি মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন পদে ইস্তফা দেন। পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন তৃণমূলের চেয়ারপার্সনের কাছে। ইস্তফাপত্রে তিনি লিখেছেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দলের কাজ করেছি।’

    তবে ইস্তফার কারণ জানাননি তিনি। পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে এই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তৃণমূলের সাফল্য কামনাও করেছেন মালা।

    মালার ইস্তফার পরেই মহিলা তৃণমূলের নতুন সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদকে। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির মধ্যেও বিপুল ব্যাবধানে জিতেছেন তিনি। এ দিন মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পরে একটি ভিডিয়ো বার্তায় তিনি বলেন, ‘দল আমাকে যোগ্য মনে করেছে, আমি কৃতজ্ঞ। কালীগঞ্জের পাশাপাশি গোটা রাজ্যের মা-বোনেদের জন্য কাজ করব।’

  • Link to this news (এই সময়)