রাজ্যের আলু চাষীদের জন্য সুখবর ! সিঙ্গুর হবে ‘পট্যাটো করিডর’, বাংলার আলু যাবে সারা দেশেই
News18 বাংলা | ১৩ জুন ২০২৬
রাজ্যের মধ্যে হুগলি জেলার সিঙ্গুর হচ্ছে আলুর আঁতুর ঘর। কৃষকদের কাছে অর্থকরী ফসল হল আলু। সেই আলু চাষীদের জন্য সুখবর রাজ্যে পালাবদলের পর বর্তমান সরকার সিঙ্গুরকে ‘পট্যাটো করিডর’ হিসাবে চিহ্নিত করতে চলেছে। কলকাতা থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরত্বে হুগলির সিঙ্গুর। ভৌগোলিক অবস্থানে জাতীয় সড়ক দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে, রাজ্য সড়ক ও রেলপথ ঘিরে রয়েছে সিঙ্গুর।
এই আলু চাষের উপর সিঙ্গুর-সহ অন্যান্য বিধানসভা এলাকার তারকেশ্বর, হরিপাল, পাণ্ডুয়া, বলাগড়-সহ বিস্তীর্ন এলাকার কৃষকরা নির্ভরশীল। বিশেষ করে সিঙ্গুর থেকে ব্যবসায়ীদের রফতানিজাত আলু কলকাতা-সহ রাজ্যের শহরতলীর বাজারে প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে।
আরও পড়ুন– রাশিফল ১৩ জুন, ২০২৬: দেখে নিন আপনার আজকের দিন নিয়ে কী জানাচ্ছেন জ্যোতিষী চিরাগ দারুওয়ালা
বর্তমান সরকার আলু চাষিদের মুখে হাসি ফোটাতে সিঙ্গুরকে ‘পট্যাটো করিডর’ করার চিন্তা ভাবনা শুরু করায় খুশি সিঙ্গুরের কৃষক থেকে আলু ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির আশা আগামী দিনে সিঙ্গুরে আলু নিয়ে কৃষি ও শিল্পের সহাবস্থান হবে। এই বিষয়ে সিঙ্গুরের বিজেপি বিধায়ক ডঃ অরূপ দাস বলেন, আগামী দিনে সিঙ্গুর আলুর শিল্প হাব তৈরির পথে এগিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন– কাঁচরাপাড়ায় তৃণমূলের ‘অধিকারী-ব্রাদার্স’, স্কুলে টাকার পাহাড়ে নজরে এখন দাদা-ভাই, রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে বেপাত্তা দুই ভাই
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পশ্চিমবঙ্গে আলু চাষিদের দুর্দশা ঘিরে রাজনৈতিক তর্জা ছিল তুঙ্গে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু হয়ে উঠেছিল আলু। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এরাজ্যে এসে দাবি করেছিলেন, বাংলার কৃষকরা তাঁদের উৎপাদনের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। তাঁর অভিযোগ ছিল, তৃণমূল সরকারের নীতির কারণে বাংলার আলু ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডে পাঠানো যেত না, ফলে বাজারে আলুর দামে ধসে পড়েছিল। কেজি প্রতি ২০ টাকার বদলে অনেক ক্ষেত্রেই ২ টাকায় বিক্রি করতে হয়। তবে তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই বাংলার আলু সারা দেশে বিক্রির পথ খুলে দেওয়া হবে এবং উন্নত মানের বীজ উৎপাদনের জন্য প্রকল্প নেওয়া হবে।