• ট্রেজারি বিল্ডিংয়েও অগ্নি সুরক্ষায় খামতি, ‘ফায়ার অডিট’-এর ভাবনা
    বর্তমান | ১৩ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আলিপুরে জেলা পরিষদ বিল্ডিংয়ের অগ্নিকাণ্ড অনেক খামতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এই ভবনের উলটো দিকে থাকা ট্রেজারি বিল্ডিংয়েও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথেষ্ট নেই। কিছু অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ছাড়া সেখানে আর কিছু নেই বলেই অভিযোগ। অথচ প্রায় প্রতিটি তলে প্রচুর পরিমাণে সহজদাহ্য পদার্থ পড়ে আছে। কোথাও আসবাব, কোথাও কাঠের টুকরো প্রভৃতি। সিঁড়ির মুখে আলমারি রেখে দেওয়ায় আসা-যাওয়ার রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে রয়েছে একটি ফ্লোরে। এই অবস্থায় প্রশাসন ওই বিল্ডিংয়ের ‘ফায়ার অডিট’ করানোর কথা চিন্তাভাবনা করছে বলে খবর। বিল্ডিংটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এখানে চারজন অতিরিক্ত জেলাশাসক বসেন। রয়েছে জেলা নির্বাচনি কার্যালয়ও। প্রচুর নথি ও ফাইল মজুত রয়েছে। তাই এই ভবনের অগ্নিসুরক্ষা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন এখানকার কর্মীরাই। ভবনের পঞ্চম  ও সপ্তম তলে লিফটের বাইরে প্রচুর আসবাব, কাগজপত্র মজুত হয়ে রয়েছে। যেমন, সপ্তম তলে একদিকে গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের অফিস। অন্যদিকে, আইসিডিএসের অফিস। পঞ্চম তলে ভূমি ও অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের অফিস। পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান না হওয়ায় একাধিক আলমারি ও ফাইলপত্র বাইরে রাখা হয়েছে। কয়েকটি ফ্লোরে কাঠের গুঁড়ো বস্তায় করে রাখা আছে বলেও দাবি সরকারি কর্মীদের। জেলা পরিষদ ভবনের মতো পরিস্থিতি যাতে এখানে না হয়, তার জন্য আলাদা কিছু পদক্ষেপ দরকার বলেই মনে করছেন অনেকে। 

    এদিকে, শুক্রবার ফরেনসিক দল অগ্নিদগ্ধ বিল্ডিংয়ের ভিতরে ঢুকে আবার নমুনা সংগ্রহ করেছে। প্রশাসনের তরফে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে বলে খবর। তবে এখনও ওই বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না কাউকে। এক আধিকারিক বলেন, ‘যতক্ষণ না আমরা সব ফ্লোরে যেতে পারছি, ততক্ষণ ক্ষতির পরিমাণ আন্দাজ করা কঠিন।’-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)