নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: দুই জেলায় আয়োজিত হল কৃষি কর্মশালা। সেখানে প্রাকৃতিক উপায়ে চাষের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জৈব সার ব্যবহারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া কৃষি বিভাগের তরফে কৃষকদের এই বিষয়ের উপর সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হল। দুই জেলায় ৮০০ কৃষককে প্রাকৃতিক উপায়ে চাষবাসের পদ্ধতি বোঝানো হয়েছে।
শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর রবীন্দ্র ভবনে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। প্রাকৃতিক কৃষির নানা দিক, এটির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, পরিবেশগত গুরুত্ব এবং কৃষকদের আর্থিক সাশ্রয়ের দিকগুলিকে বোঝানো হয়। কৃষি উৎপাদনের ব্যয় হ্রাস, মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি—এই সমস্ত ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কৃষি এক ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ দেখাতে পারে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা, সাগর ও সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক যথাক্রমে সুমন্ত মণ্ডল এবং রূপা গঙ্গোপাধ্যায় সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
অন্যদিকে, শুক্রবার হাওড়া জেলা উপ কৃষি অধিকর্তার উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পি দীপাপ প্রিয়া, বিধায়ক চিরন বেরা, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক মানসকুমার মণ্ডল, জেলা কৃষিদপ্তরের আধিকারিক সহ অন্যান্যরা। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, চাষের জমিতে অতি মাত্রায় রাসায়নিক প্রয়োগের ফলে মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট হচ্ছে। জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে। সেই কারণে জৈব চাষের উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। কৃষি আধিকারিকদের বক্তব্য, রাসায়নিক বর্জিত চাষের মাধ্যমে সুষম খাদ্য উৎপাদন, ফসল রক্ষা এবং প্রকৃতির ক্ষতি না করে লাভজনক বিষমুক্ত দূষণহীন উৎপাদন হল আধুনিক জৈব কৃষি। কৃষকদের তা বোঝানো হচ্ছে।