• উত্তরপাড়ায় তৃণমূূল নেতা ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধর, ডিম থেরাপি, অন্তর্দ্বন্দ্ব বলছে বিজেপি!
    প্রতিদিন | ১৪ জুন ২০২৬
  • উত্তরপাড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর অর্ণব রায় ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধর! রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। প্রথমে কাউন্সিলর অর্ণবকে মারধর, বাঁচাতে গেলে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও কাউন্সিলরের মাকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা। বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, জনরোষ না কি, নিজেদের গণ্ডগোল জানি না। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, আমি সেখানে ছিলামই না। মিথ্যা অভিযোগ।

    উত্তরপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অর্ণব রায়। কয়েকদিন আগে তাঁর পার্টি অফিস বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। শনিবার রাতে তিনি ওই এলাকাতেই বসেছিলেন। অভিযোগ সেই সময় প্রায় ৩০-৪০ জন বাইক নিয়ে এসে তাঁকে ঘিরে ধরে। রাস্তায় ফেলে মারধর করে। ছোড়া হয় ডিম। তা দেখে অর্ণবকে বাঁচাতে যান তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী। অভিযোগ অর্পিতা রায় নামে এক মহিলা তাঁকে লাথি মেরেছেন। এরপরই চিৎকার শুনে ছুটে যান অর্ণবের মা সন্ধ্যা রায়। তাঁকেও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। সন্ধ্যাদেবীর হস্তক্ষেপেই বিষয়টি মেটে বলে জানা গিয়েছে।

    এরপরই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা। অর্ণবের অভিযোগ, “আমাদের পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সেখানে যাচ্ছিলাম। সেই সময় ওরা ঘিরে ধরে মারধর করে। আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাঁচাতে আসলে তাঁকে লাথি মারে অর্পিতা রায়। আমার মাকেও হেনস্তা করা হয়েছে। বিজেপির গৌতম মাজি, অর্পিতা রায় এই কাজ করেছে। ওরা দুষ্কৃতী।” কাউন্সিলরের মা সন্ধ্যা রায় বলেন, “প্রায় ৩০-৪০ জন ঘিরে ধরে ছেলেকে মারধর করতে থাকে। ও কোনও ভুল করেনি। আমি গিয়ে বলি কোনও ভুল থাকলে  শাস্তি দিক। মারধর কেন। আমি না গেলে ছেলের মরদেহ দেখতে হত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন তিনি বিষয়টি দেখুন।” গোটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতা। তিনি ফোনে জানিয়েছেন, “জনরোষ নাকি নিজেদের মধ্যে কোনও গণ্ডগোল জানি না। ওখানে আমি ছিলাম এমন কোনও প্রমাণ দেখাতে পারবে না। কি হয়েছে তা জানি না। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)